ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ কমাতে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৬ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
চলমান `কঠোর লকডাউন` আরো এক সপ্তাহ বাড়ল পুলিশের উদ্যোগে ৫ টাকায় ইফতার যাত্রা শুরু ১১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালের সারাদেশে চার কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি ৯০৪৬ জনের জামিন আজ ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

 সৈয়দপুরে রেলের ১৯ একর জমি দখলমুক্ত করে রাজস্ব আদায়

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২২ মার্চ ২০২১  

দখলের আগ্রাসন থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুরের রেলের জায়গা বাঁচাতে সৈয়দপুরে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
রেলওয়ের পাকশি বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে সৈয়দপুর রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি বিভাগ এ অভিযান পরিচালনা করে।

সকালে শহরের কাজিপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে দখলকৃত রেলওয়ের কয়েকটি জলাশয় ও কৃষি জমি উদ্ধার করে তা স্পট নিলামের মাধ্যমে বৈধভাবে লিজ প্রদান করা হয়। এতে প্রায় ১৯ একর ৬ শতক জমি (জলাশয় ও কৃষিজমি) দখলমুক্ত করা হয়। দুপুরে শহরের কলাহাটি রোডের অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দুইটি দোকান ও একটি বাড়িরও নিলামের মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে জরিমানা এবং নতুন করে লিজ দেয়ার মাধ্যমে প্রায় ৩৪ লাখ ৫ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়।

শহরের নয়াবাজার ভাগার এলাকায় রেলের বিশাল জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা সৈয়দপুর পৌরসভা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার যৌথ প্রকল্প কো-কোম্পোস্ট প্লান্ট বন্ধ করে দিয়ে তা জব্দ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে এর বৈধ বরাদ্দ বা লিজ গ্রহণের পরই কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসময় এখানে কর্মরত সমাজ কল্যাণ সংস্থার (এসকেএস) দুইজন সাব-ইঞ্জিনিয়ারকে আটক করা হয়। পরে পৌর পরিষদের কাউন্সিলররা তাদের জিম্মায় নিয়ে অবিলম্বে রেলের কাছ থেকে বৈধ উপায়ে লিজ গ্রহণ করায় সম্মত হওয়ায় তাদের ১ ঘণ্টার কারাদণ্ড শেষে মুক্ত করা হয়।

বিকেলে শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডে সৈয়দপুর প্রেস ক্লাবের পাশে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন ৬ তলা ভবনের অবকাঠামো জব্দ করে তা ৬ লাখ টাকা নিলাম করা হয়। এছাড়া জায়গাটুকু নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে আগামীতে বৈধভাবে বরাদ্দের জন্য সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান বলেন, সরকার রেলের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। তাই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে দেশের যেখানে যত প্রকার রেলের সম্পত্তি অবৈধ দখলে আছে তা দখলমুক্ত করে রাজস্ব আয়ের খাতে পরিণত করতে হবে। এ নির্দেশের আলোকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সৈয়দপুরে অভিযান চালানো হলো। 

তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই যে কোনো ধরনের এবং যে কোনো ব্যক্তির দখলকৃত রেলের জমি উদ্ধার করাসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পার্বতীপুর রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি বিভাগের কানুনগো মো. জিয়াউর রহমান, সৈয়দপুর সহকারী প্রকৌশলী মো. আহসান উদ্দিন, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম, সৈয়দপুর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চিফ ইন্সপেক্টর মো. বেনজুর রহমানসহ নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা।