• সোমবার   ১৪ জুন ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪২৮

  • || ০৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
সরকারি চাকরিতে রাজাকারের প্রজন্মের জন্য নীতিমালা অনুসরণের সুপারিশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী করোনা রোধে কুড়িগ্রামে জোন ভিত্তিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত তাণ্ডব আড়াল করতেই বিএনপি মহাসচিবের মিথ্যাচার: তথ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও থেকে আটক হলেন আলোচিত শাহিন হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত

অনলাইনে হচ্ছে না পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২০  

তৈরি করা সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা না থাকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না। ফলে এবার সরাসরিই পরীক্ষায় বসতে হবে শিক্ষার্থীদের।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক সভায় বিশেষজ্ঞরা এ মতামত দেন। সংস্থাটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে এ সফটওয়্যারের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর যে সফটওয়্যার প্রস্তাব করেছিলেন- তা বিশেষজ্ঞ কমিটি নাকচ করে দেয়। 

বিশেষজ্ঞ কমিটির মতে, ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মতো প্রয়োজনীয় সক্ষমতা এ সফটওয়্যারের নেই। এ সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিতে গেলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।  নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে।  

তাদের মতে, ছোট্ট পরিসরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নে এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা যেতে পারে। বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা নেয়ার জন্য এ সফটওয়্যারের আরো উন্নয়ন প্রয়োজন।

সভায় সফটওয়্যারের উদ্ভাবক মুনাজ আহমেদ জানান, তার সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য এখনও উপযোগী নয়। 

এদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভিসি জানান, বৈঠকে যে সফটওয়্যার প্রস্তাব করা হয়েছে সেটি নতুন নয়। এ ধরনের সফটওয়্যার চীনে ব্যবহার করে বর্তমানে পরীক্ষা নেয়ার কাজ চলছে।

সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।