ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজে (রমেক) শনিবার ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ৬১ জন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে ১৭ জন, লালমনিরহাটে ১৯ জন, গাইবান্ধায় ১৬ জন, কুড়িগ্রামে ৭ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ১ জন ও বগুড়ার ১ জন রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ একেএম নুরুন্নবী লাইজু। রংপুর মেডিকেল কলেজে (রমেক) ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে ২৬ জন, কুড়িগ্রামে ১৪ জন, লালমনিরহাটে ১৩ জন ও গাইবান্ধায় ৭ জন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ একেএম নুরুন্নবী লাইজু। গত ২৪ ঘণ্টায়   দেশে করোনাভাইরাসে আরো ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮৫১ জন।
  • রোববার   ০৯ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ গণতন্ত্রী পার্টির সাবেক সভাপতি, রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহম্মদ আফজালের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী অর্থনীতির সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে, ২০২২-এ অস্ট্রেলিয়ায় মুজিববর্ষেই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনীদের ফিরিয়ে আনা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন
১৫৮

অবশেষে নিয়ন্ত্রণে এসেছে তিস্তার পানি   

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২০  

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় রেড এলার্ট জারি হওয়ার পর অবশেষে পানি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে পানি নিয়ন্ত্রণ হলেও ঘরে ফিরতে পারছে না তিস্তা তীরবর্তী মানুষরা। জেলার ৫টি উপজেলায় পানি কমে যাওয়ার কারণে তীব্র ভাঙন ঘরবাড়িসহ ফসলী ক্ষেত ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার(১৯ জুন) রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ হঠাৎ বাড়তে থাকে। পরদিন সকালে ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তিস্তার পানি প্রবাহ। ফলে তিস্তার চরাঞ্চল ও বামতীরের নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়ে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ডুবে যায় কৃষকের ফসল। ভেসে যায় পুকুরের মাছ। দিনভর বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সোমবার দুপুর থেকে পুনরায় কমতে শুরু করে।

তিস্তার পানি প্রবাহ বিপদ সীমার নিচে নেমে আসায় বন্যা পরিস্থিতিও অনেকটাই উন্নতি ঘটেছে। কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। এ বন্যায় জেলার ৫টি উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল। তবে তিস্তার দুই তীরে নদীভাঙনে শত শত হেক্টর জমির বাদাম, ভুট্টা ও সবজি ক্ষেত নদীতে চলে যাচ্ছে। তাছাড়াও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার সরকারপাড়া নামক এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

সোমবার(২৯জুন) সন্ধ্যায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। যা স্বাভাবিকের(৫২ দশমিক৬০ সেঃমিঃ) চেয়ে ০০ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার থেকে কমিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার থেকে কমিয়ে এখন বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি প্রবাহ। ফলে বন্যা পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে।

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর