মঙ্গলবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৫ ১৪২৬   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
আড়ংয়ের ওয়াশ রুমে গোপনে ভিডিও করার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট। ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ সিটির ভোটে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবে ৬৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে ৩০ জানুয়ারি ভোর থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সব ধরনের বৈধ অস্ত্রবহন ও প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। চীনে অবস্থানরত আগ্রহী বাংলাদেশিদের দেশে আনার জন্য বেইজিংকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা। আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে তৎপরতাও শুরু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মাদকের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে শিক্ষার্থীদের- রাষ্ট্রপতি।
৬৪

`অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে`

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০১৯  

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সিঙ্গাপুরের রাজধানী সিঙ্গাপুর সিটিতে অনুষ্ঠিত ‘ডুইং বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী নেতৃত্ব, সুশাসন, সঠিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্থিতিশীল সরকার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মজবুত করে তুলেছে। বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল বানিয়েছে।

ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। আন্তর্জাতিক ফিন্যান্স কর্পোরেশন, এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুর এবং ইনফ্রাস্টাকচার এশিয়া এ কর্মশালার আয়োজন করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা গ্রহণকারী দেশ থেকে এখন বিনিয়োগের অনুকূল ভূমিতে পরিণত হয়েছে। দেশে বিনিয়োগের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে বেড়ে এখন জিডিপির ৩১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ আগের দশকের তুলনায় পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৭০.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, পিপিপির ভিত্তিতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ত্রিশতম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক আউটলুক ২০১৯ উল্লেখ করেছে যে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। এইচএসবিসি তাদের ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং বিশ্বের তিনটি দ্রুততম অর্থনীতির একটি হয়ে উঠবে।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় মধ্যে বাংলাদেশেই সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ নীতি রয়েছে। এখানে বিদেশী বিনিয়োগ সুরক্ষার জন্য আইনি ব্যবস্থা রয়েছে, উদার কর অবকাশ নীতি রয়েছে, যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে, বিদেশীদের বিনিয়োগের পর লভ্যাংশ এবং মূলধনের সম্পূর্ণ নিয়ে যাওয়ার সুবিধা রয়েছে। বৈদেশিক বিনিয়োগ জাতীয় সংসদে পাসকৃত আইন এবং দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তি দ্বারা সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি বলেন, গত দশ বছরে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে গড়ে ৭ শতাংশ যা গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছিল এবং চলতি অর্থবছরে এটি ৮ দশমিক ২ হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৯০৯ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। রফতানি আয় তিনগুণেরও বেশি হয়ে ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মানব উন্নয়ন সূচক বার্ষিক ১ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্পেকটেটর সূচক ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশ গত ১০ বছরে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

এই বিভাগের আরো খবর