ব্রেকিং:
নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে; জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস এর আলোচনা সভায় বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনে বসেছেন সম্রাট জাপানের সম্রাট নারুহিতো। অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জাপানে অবস্থান করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। কানাডায় সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পথে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি, গঠন করতে হতে পারে জোট সরকার। ভারতের মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানায় বুথ ফেরত জরিপে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের জয়ের আভাস। ২৪ অক্টোবর ফল ঘোষণা। আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগে, চারটি রুশ ও ইরানি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলো ফেসবুক। ব্রেক্সিট ইস্যুতে সরকারের উত্থাপিত হ্যাঁ অথবা না ভোটের প্রস্তাবকে নাকচ করলেন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট। সুনির্দিষ্ট সময়ে সরকার গঠনে ব্যর্থ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এবার সুযোগ পাবে প্রধান বিরোধীরা। চিলিতে ভয়াবহ সহিংসতায় নিহত ১১। গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন। থাইল্যান্ডের রাজার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা এবং অশোভনীয় আচরণের দায়ে রাজসঙ্গির মর্যাদা প্রত্যাহার। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের কাছে পাঠানো ৩০০০ গোপন ইমেইল থেকে, মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে হত্যার ঘটনায় ফ্রান্সের জড়িত থাকার তথ্য ফাঁস।

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৭ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

সর্বশেষ:
দুপুরে সাকিব-তামিমদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবির কর্মকর্তারা। ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধানে বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে জরুরি সভায় বিসিবি, মিটিং শেষে বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৯০৯ ডলারে উন্নীত। গত এক বছরে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৫১ শতাংশ, মন্ত্রিসভার বৈঠকে তথ্য প্রকাশ। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীতে নির্মাণ শ্রমিক ও যশোরে শিশু নিহত। ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন নগদকে, পরিচয় অ্যাপ্লিকেশনের সাথে যুক্ত করে এক মিনিটে নগদ একাউন্ট সেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। পদ্মা সেতুর দুটি নতুন থানা ও একটি নতুন পৌরসভা গঠনের অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেটাররা। তবে ধর্মঘটের আওতামুক্ত থাকবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট।

আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়ই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০১৯  

আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় দেশের স্বার্থই আগে বিবেচনা করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারত ফেনী নদী থেকে খুব সামান্যই পানি পাবে এবং তা শুধু খাবার পানি হিসেবেই ব্যবহারের জন্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সব সময় আমাদের নিজেদের দেশের স্বার্থটাই আগে দেখি। কাজেই এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কিছু নেই।

তিনি বলেন, ফেনী নদীটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদী যাতে দুই দেশেরই অধিকার রয়েছে। বাংলাদেশ অংশ থেকে ভারত তাদের রামগড়ের নিকটবর্তী সাবরং এলাকার জন্য সামান্য খাবার পানি নিচ্ছে, এজন্যই এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিকেলে গণভনে তার সাম্প্রতিক জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং পরবর্তীতে ভারত সফর নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন। এ সময় সমসাময়িক নানা বিষয়সহ ভারত বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।-বাসস

সংবাদ সম্মেলনের মঞ্চে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে- মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, এমপি, বিভিন্ন সংবাদ পত্র, সংবাদ সংস্থা সহ গণমাধ্যমের সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ি। এটা বাংলাদেশ ভারত-সীমান্তের ১১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি নদী। যার ৯৪ কিলোমিটার অবস্থান সীমান্তে এবং ৪০ কিলোমিটার অবস্থান বাংলাদেশে। যেটা ফেনীর সোনাগাজী হয়ে সাগরে চলে গেছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন সীমান্তবর্তী নদীতে দুই দেশেরই অধিকার থাকে। যেমন- রাজশাহীর পদ্মা এবং মাতামুহুরি। এমন আরো ৭টি নদী রয়েছে। যেগুলো আমরা যৌথভাবে ড্রেজিংসহ নাব্যতা বৃদ্ধিতে যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করেছি (ভারতের সঙ্গে)।

তিনি বলেন, ভারতের রামগড়ের সঙ্গের একটি রাজ্য ত্রিপুরার সাবরংয়ে খাবার পানির খুব অভাব, তারা ভূগর্ভস্থ পানি তোলে। আর তাতে সীমান্তের অপর পাশে ভূগর্ভেরও পানি তোলার ক্ষতিকর প্রভাব কিন্তু আমাদের দেশেই পড়ছে।

‘কাজেই ফেনী নদীর থেকে সামান্য পানি আমরা দিচ্ছি, তাদের খাবার পানি হিসেবে। ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি দেয়ার চুক্তি হয়েছে। এই নদীর অধিকাংশ পানিই আমরা ব্যবহার করি। আর তাদের একটু খাবার পানি দেয়ায় এটা নিয়ে এত চিৎকার কেন আমি জানি না।’

‘কেউ যদি খাবার পানি চায় আর আমরা সেটা না দেই তো কেমন দেখায়,’ প্রশ্ন উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন -‘আমাদেরতো আরো সীমান্তবর্তী নদী রয়েছে সেগুলোর বিষয়েও চিন্তা করতে হবে।’

‘এখনই এই চুক্তি বাতিল করতে হবে’ মর্মে সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বিএনপি’র এক বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর ’৮১ সালে তার এবং পরবর্তীতে ’৯১ সালে খালেদা জিয়ার ভারত সফরের সময় জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া উভয়ই গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয়টি ভারতের কাছে উত্থাপনই করেননি। পরবর্তীকালে ’৯৬ পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারই ঐতিহাসিক এই চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময় ভারত সফর শেষে দেশে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খালেদা জিয়া বলেন- তিনি নাকি গঙ্গার পানি চুক্তির কথাটি ভুলেই গিয়েছিলেন।

অপর এক প্রশ্নে উত্তরে ত্রিপুরায় বাল্ক এলপিজি রফতানি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কোন স্বার্থ শেখ হাসিনা কোনদিন বিক্রি করবে, এটা হতে পারে না। এটা সবার জানা উচিত। বরং যে যে সমস্যা ছিল তার প্রত্যেকটির সমাধান আমরাই করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন যারা গ্যাস বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন তোলে ২০০১ সালে তারাই গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েছিল। আমার কথা হলো, যারা এই প্রশ্ন তোলে তারা অতীতটা ভুলে যায় খুব তাড়াতাড়ি।

শেখ হাসিনা বলেন, এটা আমরা বড় আকারে বাল্কে আমদানি করে ভ্যালু অ্যাডেড করছি এবং ত্রিপুরায় রফতানি করছি এবং এতে আমাদের রফতানির খাতায় আরো একটি আইটেম যুক্ত হলো, এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলপিজি কোনো প্রাকৃতিক গ্যাস নয় এবং এটি আমাদের দেশে উৎপন্ন হয় না। তিনি বলেন, আমরা যে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তৈল) কিনে নিয়ে আসি এটি পরিশোধের পর এর কিছুটা অংশ এলপিজি হয় এবং আমরা যে গ্যাস উত্তেলন করি সেখানে কিছু তেল আমরা পাই, যা থেকে অকটেন এবং পেট্রল হয়। এরসঙ্গে সামান্য কিছু এলপিজি তৈরি হয়।

তার সরকার প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতা দেখা দেয়ায় এলএনজি আমদানি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেজন্য রান্নাসহ অন্যান্য কাজে যাতে বোতলজাত গ্যাস ব্যহার করা যায় সেজন্য এলপিজি আমাদানি করে সিলিন্ডারে ভরে আমরা সরবরাহ করছি।

তার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেসরকারি খাতে এলপিজি বোতলজাত করাকে উন্মুক্ত করে দেয়ায় আগে একটি ১০ থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম দেশে ১৬শ’ টাকা করে পড়লেও এখন ৯শ’ টাকায় প্রতি সিলিন্ডার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় ২৬টি কোম্পানি এই গ্যাস বোতলজাত করণের কাজ করছে এবং ১৮টি কোম্পানি উৎপাদন করছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ত্রিপুরায় যে গ্যাসটা দিচ্ছি সেটা এই বোতলজাত গ্যাস। আমরা আমদানি করছি বাল্কে, সেই গ্যাস বোতলজাত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে আমরা কিছুটা ত্রিপুরাতেও সরবরাহ করছি, এটা হচ্ছে বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বলছেন যে দেশের গ্যাস দিয়ে দিচ্ছে এবং এটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার বিশেষ করে বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার জন্য গ্যাস রফতানির চুক্তিতে মুচলেকা দিয়েছিল। একটি আমেরিকান কোম্পানির কাছে সেটা বিক্রি করবে এবং ভারত ক্রয় করবে। কিন্তু আমি বলেছিলাম, আমাদের কি পরিমাণ গ্যাস রয়েছে তা নির্ধারণ করে ৫০ বছর দেশে ব্যবহার উপযোগী গ্যাস মজুদ রা রেখে আমি গ্যাস রফতানি করতে পারি না। এ কথার কারণে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারেনি।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের বাংলাদেশে আগমন এবং রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতে খালেদা জিয়া এবং প্রয়াত মান্নান ভূইয়া এবং প্রয়াত জিল্লুর রহমান সহযোগে তাদের বৈঠকে এই গ্যাস রফতানি নিয়ে মার্কিন প্রস্তাব এবং পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বাংলাদেশকে চাপ প্রয়োগের তথ্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি যমুনার বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন, আমি বললাম অসম্ভব, এটা আমি দিতে পারি না। তখন অবস্থা এমন হলো, আমি আর জিল্লুর রহমান সাহেব চলে আসলাম। আর খালেদা জিয়া থেকে গেলেন এবং তাদের মধ্যে চুক্তিটা হলো।

তিনি এ সময় ভারতের ত্রিপুরায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশের মধ্যদিয়ে ভারী যন্ত্রপাতি আনা-নেওয়ায় সুযোগ প্রদানের শর্ত হিসেবে সেখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে বর্তমানে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয় করছে বলেও উল্লেখ করেন। আর ভেড়ামারার জন্য আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয় করছি। সর্বমোট ১৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমরা ভারত থেকে আমদানি করছি, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন ত্রিপুরার সরকার এবং জনগণের সহযোগিতার কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করে বলেন, ত্রিপুরা যদি আমাদের কাছে কিছু চায় তবে সেটা আমাদের দিতে হবে। কারণ মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরা আমাদের একটা বড় শক্তি ছিল। কাজেই তাদের সঙ্গে সব সময়ই আমাদের একটা ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং থাকবে।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটে’ অংশ নিতে ৩ থেকে ৬ অক্টোবর নয়াদিল্লী সফর করেন তিনি। এ সময় দুই দেশের মধ্যে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় এবং তিনটি যৌথ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর