ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৫৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। দিনাজপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ৯ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩২৮ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৭ ১৪২৭

  • || ০৪ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুরের বহুল আলোচিত দুই বোন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর রোগমুক্তি কামনায় বীরগঞ্জে দোয়া মাহফিল নীলফামারীতে কাঁটাতার কেটে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি জুড়ছে রেল লাইন কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড র‌্যাবের অভিযানে নীলফামারীতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
১০৪

আগামীকাল নীলফামারী হানাদার মুক্ত দিবস

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯  

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তাঞ্চল  হিসাবে ঘোষণা পায় ৬ নম্বর সেক্টর। সেই সেক্টরের উত্তরের জনপদের নীলফামারী হানাদার মুক্ত দিবস আগামীকাল শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর)। ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর নীলফামারীকে পাক-হানাদার মুক্ত করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা।ভোরে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে উত্তোলন করেন স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।  

এসময় বীর যোদ্ধাদের ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে রাস্তায় নেমে আসেন মুক্তিকামী সকল শ্রেণি পেশার জনতা। বিজয়ের উল্লাস আর শ্লোগানে প্রকম্পিত করে তোলেন সে সময়ের মহকুমা শহর।  

১২ ডিসেম্বর রাতে শহরের চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমণে হানাদার বাহিনী পরাজিত হয়ে নীলফামারী শহর ছেড়ে আশ্রয় নেয় সৈয়দপুর সেনানিবাসে। 

দিনটিকে স্বরণীয় করে রাখতে জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে গ্রহন করা হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি।

এর মধ্যে রয়েছে সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে জাতীয় ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদরে পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুক্তি শোভাযাত্রা, সোয়া ১১টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচিতে অংশ নিবেন মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, জেলা প্রশাসনসহ সরকারি বেসরকারী ভিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাধারণ মানুষসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।

১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নীলফামারীতে ছাত্র-জনতা ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তির সংগ্রামে। শুরুতে মিটিং- মিছিল আর সভা সমারেশের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে দেশ মাতৃকা রক্ষার আন্দোলন। মহকুমা শহরের অস্ত্রাগারে রক্ষিত অস্ত্র ছিনিয়ে এনে নীলফামারী বড়মাঠে শুরু হয় অস্ত্র হাতে নেয়ার প্রশিক্ষণ। এরপর ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে ছয় নম্বর সেক্টরের অধীনে অস্ত্র হাতে যোদ্ধারা ঝাঁপিয়ে পড়েন পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। নয় মাসের গেরিলা আক্রমণ আর সম্মুখ যুদ্ধে জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরীগঞ্জ উপজেলা মুক্ত করে তাঁরা এগিয়ে আসেন নীরফামারী শহরের দিকে। ১৩ ডিসেম্বর ভোরে হানাদার ম্ক্তু হয় নীলফামারী।

নীলফামারী মুক্ত দিবস পালন উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন দিবসটি উপলক্ষে গৃহিত কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেছেন। 

নীলফামারী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর