ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৫৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। দিনাজপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ৯ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩২৮ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৭ ১৪২৭

  • || ০৪ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুরের বহুল আলোচিত দুই বোন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর রোগমুক্তি কামনায় বীরগঞ্জে দোয়া মাহফিল নীলফামারীতে কাঁটাতার কেটে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি জুড়ছে রেল লাইন কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড র‌্যাবের অভিযানে নীলফামারীতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
৫৭

আদিতমারীতে ব্রিজ নির্মাণে নানান অনিয়মের অভিযোগ

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯  

গ্রামীণ যোগাযোগ সচল রাখতে লালমনিরহাটের আদিতমারীর বিভিন্ন সড়কের উপর সাতটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয় ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দরপত্রের মাধ্যমে এসব ব্রিজ নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করে কার্যাদেশ প্রদান করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। যার প্রেক্ষিতে নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদাররা।

এর মধ্যে উপজেলার দুর্গাপুর ইউপির গন্ধমরুয়া দোলার উপর ২৯ লাখ ১৭হাজার ৪০০ টাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য কার্যাদেশ পান ঠিকাদার গোলাম রব্বানী সোহেল। কিন্তু ব্রিজটি কমিশনে ক্রয় করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদার শামীম আলম। ব্রিজের স্থায়িত্ব রক্ষার বর্লি পাইলিং না করেই এ ব্রিজের সিসি ঢালাই শেষ করেন ঠিকাদার। যার ফলশ্রুতিতে ব্রিজটি পানির স্রোতে ভেসে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা। 

ব্রিজটি সিসি ঢালাই কাজে আকারে বড় ও মৃত পাথর ব্যবহার করার অভিযোগে সাম্প্রতিক সময় পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন আদিতমারীর ইউএনও মুহাম্মদ মনসুর আলী।

এছাড়া বাকি ছয়টি ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু করলেও হচ্ছে না বর্লি পাইলিং। বর্লি পাইলিংয়ে ধরা ব্যয় প্রকৌশলীদের পকেটে যাবে বলেও দাবি স্থানীয়দের। তবে ঠিকাদাররা জানান বর্লি পাইলিং না দিলে সেই খরচ ঠিকাদারকে দেয়া হবে না। যতটুকু কাজ ততোটুকুই বিল পাবেন ঠিকাদার।

জানা গেছে, ২৯ লাখ টাকার একটি ব্রিজে বর্লি পাইলিংয়ে ব্যয় ধরা আছে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। কাজ যতটুকু হবে বিলও ততটুকু পাবো। পাইলিং না করলে সেই অংশের বিল ঠিকাদারকে দেয়া হয় না। সে অর্থ কোথায় যাবে তা অফিস ভাল জানেন। কার্যাদেশে বর্লি পাইলিং ধরা থাকলেও বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তা করা হচ্ছে না। পাইলিং ছাড়া ব্রিজের স্থায়িত্ব কতটুকু সেটা প্রকৌশলীরা ভাল বলতে পারবেন। 

আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (পিআইও) মফিজুল হক বলেন, গন্ধমরুয়া দোলায় মাটির গুনাগুন ভাল থাকায় বর্লি পাইলিং দেয়া হয়নি। যার অর্থ ফেরত দেয়া হবে। তবে ওই ব্রিজ নির্মাণে ব্যবহৃত নিম্নমানের পাথর অপসারণ করতে ঠিকাদারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ব্রিজ নির্মাণ কাজের বাজেট ইউএনও'র নির্দেশ ছাড়া কাউকে দেখানো যাবে না। যেসব ব্রিজের বর্লি পাইলিং প্রয়োজন নেই সেখানে দেয়া হবে না এবং এর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত পাঠানো হবে বলেও দাবি করেন তিনি।

আদিতমারীর ইউএনও মুহাম্মদ মনসুর আলী বলেন, পাথর সমস্যার কারণে একটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্লি পাইলিংয়ের বিষয়টি জানা নেই। তবে বাজেট অনুযায়ী নির্মাণ কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি প্রকৌশলী মনে করেন বর্লি পাইলিংয়ের প্রয়োজন নেই। তবে সেই অর্থ ফেরত দিতে প্রকৌশলীসহ ঠিকাদারের কাছে চুক্তিনামা করে নেয়া হবে।

নীলফামারী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর