ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ১ হাজার ৮৮৮ জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৮৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে ৩ হাজার ৭৭৫ জনের শরীরে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জন। আজ বুধবার রংপুর মেডিকেল কলেজে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয় । নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৮০ শতাংশ। নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন পেয়ে যাব তার নিশ্চয়তা নেই- ফাউচি
  • বৃহস্পতিবার   ০২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৭

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রংপুরের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা বিএনপিতে ভাইপন্থীদের নিয়ে বিব্রত হাইকমান্ড শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০ কোটি টাকা খাবারের বিলের খবর ভিত্তিহীন- ঢামেক পরিচালক দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে- র‌্যাব ডিজি
১২৩

আরও একাধিক ‘পৃথিবীর’ সন্ধান পেল নাসা

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০১৯  

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানীরা কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছেন। তবু ওই সব প্রশ্নের সমাধানে তাঁরা একবিন্দু্‌ও এগোতে পারেননি। এমন একটি প্রশ্ন, পৃথিবীই কি একমাত্র প্রাণের উৎস?

তবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (নাসা) বিজ্ঞানীরা এবার এমন তিনটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যা তাঁদের ওই প্রশ্নের সমাধানে সহায়তা করতে পারে। এই মহাজগতে পৃথিবী ছাড়া আর কোনো গ্রহে প্রাণের স্পন্দন আছে কি না, সেই রহস্যের ওপর আলো ফেলতে পারে ওই তিন গ্রহ।


নাসার খুঁজে পাওয়া এই তিনটি নতুন গ্রহের মধ্যে একটি নতুন ধরনের বিশ্ব ব্যবস্থা আছে, যেটা আমাদের সৌরজগতে আগে কখনো দেখা যায়নি।
গবেষকেরা বলছেন, এই রহস্যময় গ্রহগুলো হতে পারে ‘হারিয়ে যাওয়া সেই সূত্র’ যেটা ‘এলিয়েন (ভিনগ্রহবাসী)’ খুঁজে পেতে বিজ্ঞানীদের জন্য বিশাল এক উপহার হতে পারে।

নতুন এই তিন গ্রহ একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করছে। নক্ষত্রটি আমাদের সূর্য থেকে মাত্র ৭৩ আলোকবর্ষ দূরে। এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া এই ধরনের গ্রহগুলোর মধ্যে এরাই সবচেয়ে কাছে ও ছোট।

গবেষকেরা এই গ্রহগুলো আবিষ্কার করেছেন নাসার এক্সোপ্লানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (টিইএসএস) প্রকল্পের মাধ্যমে। এই প্রকল্প ২০১৮ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়। এর উদ্দেশ্য এমন সব নক্ষত্র ও গ্রহ খুঁজে বের করা, যেখানে জীবনের বিবর্তন হয়েছে।

নতুন তিন গ্রহের মধ্যে একটি পাথুরে গ্রহ আছে, যা আমাদের পৃথিবী থেকে কিছুটা বড়। বাকি দুটো গ্রহ গ্যাসের তৈরি, যারা আরেকটু বড়। আর এই বৈশিষ্ট্যগুলো গ্রহগুলোকে করেছে ‘হারিয়ে যাওয়া সূত্র’। কারণ পাথুরে গ্রহটি অনেকটা পৃথিবী বা মঙ্গলের মতো দেখতে। গ্যাসীয় গ্রহগুলো দেখতে বৃহস্পতি বা শনির মতো।

গ্রহগুলোর অনুসন্ধানী দলের প্রধান ম্যাক্সিমিলিয়ান গুন্থার বলেন, গ্যাস আর পাথুরে গ্রহ কীভাবে এই জায়গাতে সৃষ্টি হয়েছে তা বুঝতে এই নতুন গ্রহগুলো সাহায্য করতে পারে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর মতো দেখতে ওই গ্রহে এমন তাপমাত্রা থাকতে পারে, যা প্রাণের বিকাশে সহায়তা করতে পারে। তবে এর বায়ুমণ্ডল খুব হালকা বলে ধারণা করা হচ্ছে, একই সঙ্গে এর ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেশ উষ্ম।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর