ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৫৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। দিনাজপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ৯ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩২৮ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৭ ১৪২৭

  • || ০৫ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুরের বহুল আলোচিত দুই বোন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর রোগমুক্তি কামনায় বীরগঞ্জে দোয়া মাহফিল নীলফামারীতে কাঁটাতার কেটে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি জুড়ছে রেল লাইন কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড র‌্যাবের অভিযানে নীলফামারীতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
১৭

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে বাংলাদেশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০  

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে’ কৌশলগত (স্ট্র্যাটেজিক) ভৌগলিক অবস্থান, জোরালো উৎপাদন ক্ষমতা ও বিশাল বাজারের কারণে বাংলাদেশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ কথা জানান। তারা হলেন- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি লরা স্টোন ও ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উপ-কমিশনপ্রধান জোয়ান ওয়াগনার।

এ সময় লরা স্টোন বলেন, বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা ও সুযোগ আছে। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

অন্যদিকে জোয়ান ওয়াগনার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিতভাবেই জেগে উঠছে এবং বাংলাদেশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে স্বীকার করছে। বাংলাদেশে যে সুযোগ আছে তা অবিশ্বাস্য। 

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি’ অন্য কোনো দেশকে ঠেকানোর উদ্যোগ -এমন ভাবনা নাকচ করেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে জোরালো ও নিবিড় সম্পর্ক গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বড় পরিসরে অংশীদারি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

রোহিঙ্গা ইস্যু জোয়ান ওয়াগনার বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যেতে সহায়তা করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, সম্মানজনক ও টেকসইভাবে ফেরার পরিবেশ সৃষ্টি করতে আমরা মিয়ানমারকে অব্যাহতভাবে চাপ দিচ্ছি।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর