ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ২ হাজার ৯৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৯ জনের
  • শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে মাঠে গড়াতে পারে দেশের ঘরোয়া লিগের জনপ্রিয় আসর বিপিএল কাজে ফিরেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথরখনির শ্রমিকরা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাংসদ রমেশ চন্দ্র করোনায় আক্রান্ত শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়েছে: কাদের
৩২৯

উত্তরাঞ্চলে বাড়ছে শীতের প্রকোপ

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০১৮  

মধ্য হেমন্তেই দেশের উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় দিনের তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। রাতে বাড়ছে শীতের তীব্রতা সেই সাথে ঘন কুয়াশা।

গত বছর শীতের তীব্রতা অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এ বছরও শীতকাল আসার আগেই তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। এ বছরও শীতের তীব্রতা অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশী বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আগুন পোহাতে গিয়ে লালমনিরহাটে গত বছর শীতে অর্ধশত মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন, পুড়ে গেছে হাজার হাজার বসতবাড়ি। এ বছরও শীত বাড়ার সাথে সাথে অগ্নিদগ্ধের ঘটনা আরো বাড়তে পারে।

লালমনিরহাটে বসুন্ধরা এলাকার বাসিন্দা সোহরাব হোসেন লালমনিরহাট প্রতিনিধিকে বলেন, গত কদিন ধরে বেশ কুয়াশা পড়ছে। রাতে ফ্যান চালানো যায় না। গায়ে গরম কাপড় জড়াতে হচ্ছে। যেভাবে ঠান্ডা জেঁকে বসছে তাতে তীব্র শীত আসতে আর বেশী দেরি নেই।

লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাহেদুল ইসলাম লালমনিরহাট প্রতিনিধিকে বলেন, প্রতি বছর শীত রেকর্ড ভঙ্গ করেই চলেেছ। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলায় শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। সচেতনতার অভাবে অধিকাংশ সময় আগুন পোহাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। শীতকালে নারীরা ওড়না, চাদরসহ শরীরে নানা ধরনের ভারি পোশাক পরে আগুন পোহাতে যান। একটু অসতর্ক হলেই কাপড়ে আগুন ধরে প্রাণহানি ঘটে।

লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন মো কাশেম আলী লালমনিরহাট প্রতিনিধিকে বলেন, প্রতি বছর রংপুরাঞ্চলে অগ্নিদগ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। লালমনিরহাট জেলাও এর বাইরে নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এই হাসপাতালে কোন বার্ন ইউনিট নেই। যদিও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি বার্ন ইউনিট আছে। কিন্তু যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, সেভাবে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর কারণ পর্যাপ্ত লোকবল ও ওষুধের অভাব।