ব্রেকিং:
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার হিসেবে প্রথম পর্যায়ে রংপুর বিভাগের আট জেলায় স্বপ্নের নীড় পেল ৯ হাজার ১৯৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার
  • শনিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
৭০ হাজার গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গবেষণার ফসল- প্রধানমন্ত্রী আ.লীগের শেকড় অনেক গভীরে প্রোথিত- প্রধানমন্ত্রী ২ কোটি ৩৬ লাখ মানুষকে টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছে সরকার আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম ও হয়রানি রোধে চালু হবে আইডিটিপি

একাত্তরের এই দিনে: মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন ঢাকা

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০২০  

একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন। মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে বাঙালি জাতিকে চিরতরে মেধাশূন্য ও পঙ্গু করে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শিক্ষক, সাংবাদিক, ডাক্তার, আইনজীবী ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি পেশাজীবীদের ধরে নিয়ে গিয়ে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়।

এদিন বিভিন্ন রণাঙ্গনে ক্রমাগত উড়তে থাকে বাংলাদেশের বিজয় পতাকা। শত্রুমুক্ত হয় ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুরের পূবাইল, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও বৈদ্যের বাজার, বগুড়া জেলার শেরপুর ও শিবগঞ্জ থানাসহ জেলা শহরের একাংশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুরসহ সিরাজগঞ্জ জেলা, আক্কেলপুর ও পাঁচবিবিসহ জয়পুরহাট জেলা, যশোরের কেশবপুর, রংপুরের মিঠাপুকুর, চট্টগ্রামের বান্দরবান, চান্দনাইশ, সাতকানিয়া, পটিয়া ও কুমিড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল প্রভৃতি এলাকা।

এদিনই সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলীয় দখলদার বাহিনী প্রধান নিয়াজী ও গভর্নর ড. মালিকের কাছে যুদ্ধ বন্ধের নির্দেশ দিয়ে এক তার বার্তা পাঠালে চূড়ান্তভাবে ভেঙে পড়ে দখলদার বাহিনীর মনোবল। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের প্রাক্কালে এদিন মুক্তিযুদ্ধের যৌথ কমান্ড মিত্রবাহিনীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে রাজধানী ঢাকা। দখলদার বাহিনীর সবকটি ডিভিশন ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল কমান্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।