• মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৬ ১৪২৭

  • || ০৪ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য- প্রধানমন্ত্রী আইনমন্ত্রীর মহানুভবতায় গাইবান্ধায় বিক্রি করা সন্তান ফিরে পেল মা বিরল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত: এক প্রকল্পে সাশ্রয় ২৮৬ কোটি টাকা সাড়ে ৯ হাজার শ্রমিককে ৪০ কোটি টাকা সহায়তা প্রদান আইপিএল নিয়ে জুয়া: কুড়িগ্রামে ছয় যুবক আটক
৯১

এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২০  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে তাঁর মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন। বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭৫ সালের সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার রক্তাক্ত ঘটনাকে স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধুর আকাক্সিক্ষত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তৈরির সম্ভাবনাময় পথযাত্রাকে। হরেক রকম কর্মপ্রকল্পে সাজানোর রূপরেখাও উল্লেখ করেন তিনি। ২০২০ সালের তাৎপর্যকে জাতির জন্য উৎসব আর আয়োজনের এক মহাপরিকল্পনা অভিহিত করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা জানান। মুজিববর্ষ উদযাপনের শুভবার্তাই হলো জনগণের মধ্যে নতুন জাগরণী শক্তি উজ্জীবিত করা, যাতে দেশ উন্নয়নের ক্রমবর্ধমান ধারায় ক্রমশ সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন, আগামীতে তা আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। কৃষকবান্ধব কৃষি অর্থনীতিতে জোয়ার এসেছে। সবজি, মাছ এবং ধান উৎপাদনে আজ বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। শিল্পখাতকে সম্প্রসারিত করতে সারাদেশে অঞ্চলভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে, যাতে সামগ্রিক অর্থনীতিতে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। আমার শহর আমার গ্রামÑ এমন বার্তায় শহর ও গ্রামের মধ্যে পার্থক্য দূর করতে জোরালো কর্মপ্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। শিল্পায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যা ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। প্রমত্তা পদ্মার ওপর নিজ অর্থায়নে সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় বিজয়। মেট্রো রেলের প্রকল্প আজ সাধারণ মানুষকে স্বপ্নের বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। চারলেন বিশিষ্ট সড়ক-মহাসড়কের সংযোগ সড়কগুলো তাদের নির্মাণ শৈলীতে নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে যাতায়াত ব্যবস্থায়। নারীর ক্ষমতায়নের নানা মাত্রিক সম্ভাবনাময় কর্মদ্যোতনায় অর্ধাংশ এই গোষ্ঠী আজ পুরুষের সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে। সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে নজরকাড়া। আর দক্ষিণ এশিয়ার একেবারে শীর্ষে।

ঘরে ঘরে বিদ্যুত সরবরাহের অঙ্গীকার আজ বাংলাদেশকে আলোকিত জগতে নিয়ে গেছে। প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে দৃপ্ত চেতনায় অতিক্রম করে সম্ভাবনাময় আধুনিক বাংলাদেশ তৈরিতে দীপ্ত প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণভাবে রোহিঙ্গা সঙ্কটকে উত্তরণ করে আন্তর্জাতিক বলয়ে এমন অমানবিক বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়ায় বিশ্ব জনমতকে নাড়া দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে কোন সংঘর্ষ কিংবা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় জড়িয়েও পড়েনি বাংলাদেশ। সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক এবং ক্যাসিনোর মতো সমাজবিরোধী কার্যকলাপকে আইনশৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণে এনে যথোচিত শাস্তির বিধানও একটি চলমান প্রক্রিয়া। সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানও তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে।

সামাজিক নিরাপত্তার বলয়কেও বিভিন্ন আঙ্গিকে গোছানো হয়েছে। তবে কিছু অনাকাক্সিক্ষত বিপর্যয়- বিপত্তিও উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতে সবসময় সক্রিয়। তেমন অশুভ অপশক্তিকেও দেশপ্রেম ও আদর্শিক চেতনায় কঠিন নজরদারিতে এনে সামলানো হচ্ছে। সবশেষে অতি সাধারণ মানুষের কথা বলতে গিয়ে উচ্চারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী- খেটে খাওয়া নিম্নবিত্ত শ্রেণী শুধু পরিশ্রমই নয়, এত অল্পতে তারা খুশি হয় যে, ভাবতেও অবাক লাগে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ পশ্চাৎপদ মানুষের জীবনমানকে অনেকখানি এগিয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও সেই লক্ষ্যে নিরন্তর কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট এবং প্রত্যয়ী।

#দৈনিক জনকন্ঠ থেকে নেয়া।

উন্নয়ন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর