রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
এই মুহূর্তে পেঁয়াজ আমদানিতে কোনো আমদানি শুল্ক দিতে হবে না, অর্থসহ যেকোনো ধরণের সহায়তা দিতে প্রস্তুত সরকার - অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গাইবান্ধায় আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা গৃহবধুর ঢামেকে মৃত্যু রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ বিদেশ থেকে শ্রমিকরা লাশ হয়ে ফিরুক চায় না সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নেপালে ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এম মোরশেদ খান বিএনপি থেকে পদত্যাগ করছেন

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান দল থেকে পদত্যাগ করছেন। তিনি শুধু ভাইস চেয়ারম্যান থেকেই নয়, বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও তার নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মাধ্যমে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

পদত্যা‌গের ‌‌‌‌‌‌‌‌‌বিষয়টি নি‌শ্চিত ক‌রে মোরশেদ খান জানান, ব্যক্তিগত কারণেই বিএন‌পি থে‌কে পদত্যাগ ক‌রে‌ছি। অনেক বিচার-বিশ্লেষণ করে ম‌নে হ‌য়ে‌ছে, সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।

পদত্যাগপত্রে মোরশেদ খান বলেন, মানুষের জীবনের কোনো না কোনো সময় কঠিন একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমার বিবেচনায় সে ক্ষণটি বর্তমানে উপস্থিত এবং উপযুক্তও বটে। তাই অনেকটা দুঃখ ও বেদনাক্লান্ত হৃদয়ে পদত্যাগের এ চিঠি দিয়েছি।

তিনি লি‌খেন, রাজনীতির অঙ্গনে আমার পদচারণা দীর্ঘকালের। কিন্তু দেশের রাজনীতি এবং দলের অগ্রগতিতে নতুন কিছু সংযোজন করার মতো সঙ্গতি নেই। তাই ব্যক্তিগত কারণ হেতু আমার উপলব্ধি-সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার এখনই সময়। বহুবিধ বিচার-বিশ্লেষণ শেষে আমি অবিলম্বে আজ থেকে বিএনপির রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ অবস্থায় এবং স্বাভাবিক নিয়মে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ প্রত্যাহারসহ বর্তমানে ‘অলঙ্কৃত’ ভাইস চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করছি।

চিঠিতে তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমার সম্পর্কের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় অসংখ্য নেতাকর্মীর সান্নিধ্য পেয়েছি এবং উপভোগ করেছি। তাদের মধ্যে অনেকেই প্রয়াত এবং অনেকেই বর্তমানে দলের হাল ধরে আছেন। প্রয়াতদের বিদেহী আত্মার শান্তি যেমন কামনা করি, তেমনি বর্তমান সব কর্মী এবং নেতা‌দেরও আমি মঙ্গলাকাঙ্খী। অতীত ও বর্তমান সব কর্মীর নিরবচ্ছিন্ন সান্নিধ্য, সখ্য, সহমর্মিতা, সহানুভূতি ও সাহায্য-সহযোগিতার কথা আমার স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকবে। দলের প্রতিনিধি হয়ে সরকারি দায়িত্ব পালন এবং দলের কর্মী হিসেবে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিয়ে বিএনপি আমাকে বিরল সম্মানে ভূষিত করেছে।

৭৯ বছর বয়সী এম মোরশেদ খান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। মোরশেদ খান ১৯৮৬ সালে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন। এরপর চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হন।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর