ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ হাজার ৬১৯ জনে। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৩ ১৪২৭

  • || ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
এ মাসে ৬৬ হাজার পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর উপহার চিরিরবন্দরে রসুনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এখন দৃশ্যমান নতুন ৬ মেডিকেল কলেজের মাস্টারপ্ল্যান শীতে জবুথবু পঞ্চগড়, চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

‘করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক দেশের চেয়ে ভালো’

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২০  

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, করোনাভাইরাসের ক্ষত দ্রুত কাটিয়ে উঠতে আসেমভুক্ত দেশগুলো ‘নিজে বাঁচো, অন্যকে বাঁচাও’ নীতি গ্রহণ করেছে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী সংস্থা এশিয়া-ইউরোপ মিটিং (আসেম)। 

সংস্থাটির ১৪তম ফাইন্যান্স মিনিস্টার্স সম্মেলন শেষে শুক্রবার তিনি এ কথা জানান। ভার্চুয়াল এ সভার আয়োজক বাংলাদেশ। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এতে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে নিজেদের আর্থ-সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি তুলে ধরে কিভাবে এই ভাইরাসকে দ্রুত মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক দেশের চেয়েই ভালো। তবে অনেক দেশের অবস্থা খুবই খারাপ। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে যত দেরি হবে, ক্ষয়ক্ষতি ততই বাড়বে। যত দ্রুত সম্ভব এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের চেষ্টা করবে সব দেশ। 

আসেম সভাপতি বলেন, আগে সবাই শুধু নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করত। এবার দেখলাম, সবার উদ্দেশ্য এক, তা হল- নিজে বাঁচো, অন্যকে বাঁচাও। কোভিড শিখিয়ে দিয়েছে যে, নিজেকে বাঁচাতে হলে অন্যকেও বাঁচাতে হবে। এটিই ছিল সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু।

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ কী ধরনের উদ্যোগ নেবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের পলিসি খুবই ফ্লেক্সিবল। যখন যা দরকার, তখন তাই করব। বিশ্বের কোথাও ভ্যাকসিন এলে তা বাংলাদেশেও আসবে। জনসংখ্যা অনুযায়ী ভ্যাকসিন আনব আমরা। ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো অসমতা থাকবে না। 

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্মেলনে কোভিড পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ও বৈশ্বিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে শক্তিশালী বহুপাক্ষিক সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। কোভিডে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোতে কর্মসংস্থান, আয়, ব্যবসা-বিনিয়োগসহ সব পর্যায়ে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রীরা। 

সম্মেলনে এশিয়া-ইউরোপের ৪৩টি দেশের অর্থমন্ত্রী ছাড়াও বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আসিয়ান সচিবালয় ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক অংশ নেয়। ২০২১ সালে আসেমের পরবর্তী অর্থমন্ত্রী সম্মেলন নমপেনে অনুষ্ঠিত হবে।