ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ২ হাজার ৫২ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৮৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ জন। বিশ্বজুড়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা সাড়ে ৬৪ লাখ ছুঁইছুঁই করছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার এ খবর জানিয়েছে।
  • রোববার   ০৫ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২১ ১৪২৭

  • || ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
পাটকল শ্রমিকদের জন্য কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে বর্ষসেরা চিকিৎসক বাংলাদেশি ফারজানা করোনা মোকাবিলায় ৪২৪ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া ফোনেই মিলছে করোনার জরুরি সেবা বিএনপি নেতারা আইসোলেশনে থেকে সরকারের দোষ ধরে- তথ্যমন্ত্রী
২৯৯

করোনায় লালমনিরহাটের প্রথম মৃত্যু ব্যক্তি চট্টগ্রাম থেকে ফিরেছিলেন

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২০  

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় করোনা ভাইরাস উপসর্গ নিয়ে গত ৯ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু কেরামত আলীর শরীরে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। 


মৃত্যু কেরামত আলী (৪৯) হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বারাইপাড়া সড়কের ইসলামপর এলাকার আব্দুস ছামাদের ছেলে। তিনি অ্যালকো ফার্মাসিটিউক্যাল লিমিটেডের বিক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া এলাকায় কর্মরত ছিলেন। গত ৬ জুন তিনি, স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা ও ছয় বছরের শিশু ওমরকে সাথে নিয়ে বাস যোগে বাড়ীতে ফেরেন।            

        
মৃত কেরামত আলীর ছোট ভাই কামরুল হাসান বলেন, ভাইজানের (কেরামত) আগে থেকে হার্ট দুর্বল ও অ্যাজমা ছিল। কিছুদিন থেকে তার শরীর ভালো যাচ্ছিল না জন্য গত ৬ জুন পরিবারনিয়ে নিজবাড়ীতে চলে আসেন। ৯ জুন সকালে তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি দুপুরে মারা যান। মরদেহ বাড়ীতে আনার পর হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক দল বাড়ীতে এসে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। এরপরই আমরা জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেছি।
হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ৯জুন নমুনা সংগ্রহ করে ১১ জুন পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। ১৩ জুন রিপোর্ট পাওয়ার আমরা নিশ্চিত হয়েছি করোনা উপসর্গে মৃত কেরামত আলীর শরীরে করোনা পজেটিভ ছিল। তিনি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন বলে পরিবারের লোকজন জানান।


সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায় বলেন, এখন পর্যন্ত মোট ১২৬৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এরমধ্যে ১১১২টির ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৬১ জনের শরীরে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। ৩১ জন সুস্থ্য হয়ে নিজবাড়ীতে ফিরেছেন। ২৯ জন সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে এবং নিজবাড়ীতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চট্টগ্রাম থেকে ফেরত আসা করোনা ভাইরাস উপসর্গ নিয়ে গত ৯ জুন মারা যাওয়া কেরামত আলীর শরীরে ১৩ জুন হাতে আসা রিপোর্টে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। আমরা ওই পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি।


তিনি আরো বলেন, যেহেতু করোনা একটি ছোঁয়াচে রোগ সেহেতু সবাইকে সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।   

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর