ব্রেকিং:
ট্রেনের টিকিট শুধু অনলাইনেই বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। বসলো পদ্মাসেতুর ৩০তম স্প্যান: দৃশ্যমান সাড়ে ৪ কিলোমিটার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ছয়জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী, তিনজন গার্মেন্টসকর্মী ও একজন মাওলানা।
  • শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
বসলো পদ্মাসেতুর ৩০তম স্প্যান: দৃশ্যমান সাড়ে ৪ কিলোমিটার করোনা-আম্ফান-কালবৈশাখী: দিনাজপুরে দিশেহারা লিচুচাষিরা গাইবান্ধায় ঈদের ছুটিতে আসা ৩ গার্মেন্টসকর্মী করোনায় আক্রান্ত ঠাকুরগাঁওয়ে এক রাস্তার সমস্যা অনেক গাইবান্ধায় রড চুরির ঘটনায় মৃত দুই ব্যক্তির নামে মামলা
১৮৭

করোনা রোধে জনসাধারণকে সচেতন করছে সেনাবাহিনী 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২০  

করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৬১ জেলায় এবং প্রান্তিক পর্যায়ে লিফলেট ও প্ল্যাকার্ডসহ মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বর্তমানে বাংলাদেশের সংক্রমণ এবং বিস্তৃতির ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের সব জেলায় চলছে সশস্ত্র বাহিনীর এ কার্যক্রম।

এই কার্যক্রমের আওতায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে পায়ে হেঁটে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে যাচ্ছে তারা। প্ল্যাকার্ড নিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করছে সেনাবাহিনী। সেখানে কারো হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ‘ঘন ঘন হাত ধুই, করোনা থেকে নিরাপদ রই’। অপর এক প্ল্যাকার্ডে লেখা ‘বিদেশ থেকে এসেছি যারা, কোয়ারেন্টাইনে থাকব তারা’।

এছাড়া করোনা নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে লেখা অপর এক প্ল্যাকার্ডে বলা হয়েছে, ‘আতঙ্ক না ছড়াই, সতর্ক থাকি সাহায্য করি’। করোনা থেকে রক্ষা পেতে কীভাবে চলাফেরা করতে হবে সে বিষয়ে লিফলেটও বিতরণ করা হয়। সেই সঙ্গে সকলকে ঘর থেকে অকারণে বাহিরে বের না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একইভাবে উপকূলীয় অঞ্চলেও সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।


‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় ২৪ মার্চ থেকে দেশের সব বিভাগ এবং জেলায় করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেনা মোতায়েনের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষে ২৫ মার্চ থেকে সেনাবাহিনী পুরোপুরি কাজ শুরু করে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গের তালিকা প্রস্তুত এবং বিদেশ হতে প্রত্যাগত ব্যক্তিবর্গের কোয়ারেন্টাইনে থাকা নিশ্চিতকল্পে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহে সহায়তা ও সমন্বয় করছে। এছাড়া সেনাবাহিনী বিভাগ এবং জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনে মেডিক্যাল সহায়তা প্রদান করবে। নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় কাজ করবে। বিমান বাহিনী হাসপাতালের প্রয়োজনীয় চিকিত্সাসামগ্রী ও জরুরি পরিবহন কাজে নিয়োজিত থাকবে।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর