ব্রেকিং:
কুড়িগ্রামে জেএমবি কর্তৃক ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহন অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বেকারী মালিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সৈয়দপুরে তিন দিনব্যাপী জাতীয় লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ও প্রযুক্তি মেলার শুরু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টাকালে তিন যুবক গ্রেফতার সালমান শাহ পারিবারিক কলহে আত্মহত্যা করেছেন : পিবিআই

মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬   ০১ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
পিলখানা বিদ্রোহ আর হত্যাযজ্ঞের ১১ বছর আজ ডিজিএফআইয়ের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আলম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় সালাম না দেয়ায় সরকারি এক কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজয়ী আকবর আলী ও জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ন হৃদয়কে সম্মানী ভাতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রসিক মেয়র সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবিকে সজাগ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
৯৪

কুড়িগ্রামের ধনারচর গ্রামে নদী ভাঙ্গনে অসহায় সাধারণ মানুষ

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার অন্তর্গত, কর্তিমারী নৌকাঘাট এবং ধনারচর গ্রামে নদী ভাঙ্গনের ফলে মানুষ আজ দিশেহারা। নিজেদের গ্রাম ও বাড়ির শেষ চিহ্নটুকু ধরে রাখতে, গ্রামের সাধারন মানুষ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁশ সংগ্রহ করেন এবং সেচ্ছাশ্রম দিয়ে একটি বাঁধ নির্মাণ করেন ৷ কিন্তু নদীর প্রবল স্রোতের মুখে সে অস্থায়ী বাঁধ টিকে থাকতে পারছে না। তবুও স্থানীয় সাধারণ মানুষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা এই সেচ্ছা শ্রমের উদ্যোগ নেন, তাদের মধ্যে রেজাউল, ফরহাদ, গোলাম, রফিকুল, শামিম, জাহিদুল, সাইদ, চান মিয়া, আমিনুল সহ আরও অনেকেই ছিলেন ৷

স্বেচ্ছাসেবক চান মিয়া বলেন, তাদের কাজে ৫ হাজার টাকা দিয়ে সহযোগীতা করেন, স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা আবু সাইদ। এজন্য গ্রামের মানুষ তাঁর কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ!

গ্রামের সাধারন মানুষ বলেন, আমাদের সরকারের কাছে চাওয়া একটাই, আর তা হচ্ছে এই নদী ভাঙ্গনের স্থায়ী একটা সমাধান। আমরা ত্রান নয়, নদীর হাত থেকে রক্ষা পেতে চাই ৷

গ্রামের মুরব্বি আব্দুল কুদ্দুস কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার যে আবাদি জমি ছিলো তাতে আমার পরিবার খুব ভালোভাবে চলতো, কিন্তু ভাঙ্গনের ফলে খুব কষ্টে দিন পার করছি। আজ আমি বলতে গেলে প্রায় নিঃস্ব।

আলিম উদ্দিন নামের অন্য এক ব্যক্তি বলেন, মাত্র কয়েকদিন আগে আমার বাড়িটা ভেঙ্গে গেছে। আমি ও আমার ছেলে অটো রিক্সা (ভ্যান গাড়ি) চালিয়ে সংসার চালাতাম। এখন বাড়ি ভাঙ্গার ফলে নদীর ওপার চরে গিয়ে অস্থায়ী বাড়ি করি ৷ আমরা এখন গাড়ি চালাতে পারছিনা। দুইজন উপার্জনক্ষম মানুষ, দুইজনই বেকার হয়ে গেলাম।

সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন অত্র এলাকার গরীব সাধারণ মানুষেরা। যাতে করে নদী ভাঙ্গন থেকে তারা রক্ষা পায়৷