রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
এই মুহূর্তে পেঁয়াজ আমদানিতে কোনো আমদানি শুল্ক দিতে হবে না, অর্থসহ যেকোনো ধরণের সহায়তা দিতে প্রস্তুত সরকার - অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গাইবান্ধায় আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা গৃহবধুর ঢামেকে মৃত্যু রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ বিদেশ থেকে শ্রমিকরা লাশ হয়ে ফিরুক চায় না সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নেপালে ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৭

কুড়িগ্রামে নিজ কর্মস্থলেই সিজারে প্রসূতি নার্সের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০১৯  

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতি নার্সের মৃত্যুর অভিযোগে বিভিন্ন ওয়ার্ডে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করছে নার্সের সহকর্মীরা। রোববার সকালে ওই নার্সের মৃত্যুর খবরে সহকর্মীরা চিকিৎসা সেবা বন্ধ রেখে এ বিক্ষোভ শুরু করেন।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম নার্সদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে তারা বিক্ষোভ বন্ধ করেন।

নার্সরা জানায়, ওই হাসপাতালের নার্স হাজেরা আখতার প্রসব বেদনা নিয়ে বৃহস্পতিবার ভর্তি হন। ওইদিন হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. অমিত কুমার তার সিজার করেন। কিন্তু সিজারের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে শুক্রবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নেয়া হলে রোববার সকালে তার মৃত্যু হয়।

এ খবর কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছালে তার সহকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। নার্সদের অভিযোগ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক অমিত কুমারের ভুল চিকিৎসায় হাজেরা বেগমের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এ কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট ওই চিকিৎসকের অপসারণসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছি। এ দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।

নার্স হাজেরা আখতার ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চাকরিতে যোগদান করেন। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। নিহত হাজেরার নবজাতকটি সুস্থ আছে।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. অমিত কুমার বসুর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাহিনুর রহমান সরদার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রসূতি নার্স বিআইসি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, নার্সদের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –