ব্রেকিং:
লক্ষ্মীপুর ও বগুড়াতে নতুন দুইটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে নির্বাচিত হলে নব্বই দিনের মধ্যেই সব নাগরিক সুবিধা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি তাপসের আইএসও সনদ পেল ১১ প্রতিষ্ঠান

মঙ্গলবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৪ ১৪২৬   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
সময়ানুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প পরিচালকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানি জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে খোলা চিঠি পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শান্তিবাদী সংগঠন আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার
৩৯

`খালেদা জিয়া রাজি থাকলে কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে`

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর ২০১৯  

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত দেখেছি। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বেঞ্চে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ার পারসনের জামিন আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মাহবুবে আলম বলেন, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষতে অনুমতি দেননি। আপিল বিভাগ বলেছেন- খালেদা যদি রাজি থাকলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।

এরআগে চলতি বছরের ২৮ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের বেঞ্চে বেগম জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে ৫ ডিসেম্বর জামিন আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত। সঙ্গে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। 

তবে ৫ ডিসেম্বর প্রতিবেদন প্রস্তুতে আরো সময় চেয়ে মেডিকেল বোর্ড আবেদন করলে সর্বোচ্চ আদালত ৭ দিন পিছিয়ে ১২ ডিসেম্বর জামিন আদেশের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। আজ মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ ও দুপক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোট বেগম জিয়ার জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেন। 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। ওই বছরের ১৮ নভেম্বর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জামিন ও খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। পরে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেগম জিয়ার জামিন আবেদন বাতিল করেন হাইকোর্ট।

এই বিভাগের আরো খবর