ব্রেকিং:
ট্রেন দুর্ঘটনায় তূর্ণা নিশীথার চালক, সহকারী চালক ও পরিচালককে বরখাস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেসে তুর্ণা নীশিতার ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে কৃষিতে ক্ষতি ২৬৩ কোটি টাকা ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার প্রতি ১ লাখ টাকা এবং আহতদের ১০ হাজার টাকা করে সাহায্যের ঘোষণা রেলপথ মন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলন আজ রাষ্ট্রপতি নেপাল যাচ্ছেন আজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আগামী ৮ ডিসেম্বর টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে ৩৮তম স্থানে বাংলাদেশের মোহাম্মদ নাঈম
৫৬৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়`জয় বাংলা` ভাস্কর্য.

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৮  

স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর দেশের অন্যতম বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসন নির্মাণ করেছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য 'জয় বাংলা'।

লাইভ কাস্টিং মেথডে তৈরি করা হয়েছে এ ভাস্কর্য। যা বাংলাদেশে প্রথম। এতে ধূসর রঙের আস্তরণে মার্বেল ডাস্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে রোদ বৃষ্টিতেও এটি মলিন হবে না।

এই ভাস্কর্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে নারীদের প্রত্যক্ষ ও সমান অংশগ্রহণ বুঝানো হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে পাহাড়িদের ভূমিকাও উপজাতি এক নারীর অবয়বে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মূল বেদীসহ নির্মিতব্য ভাস্কর্যটির উচ্চতা ২০ ফুট, প্রস্থ ১৮ ফুট। এর মধ্যে উপরের স্তরে তিন মুক্তিযোদ্ধার উচ্চতা ১১ ফুট এবং নিচের স্তরে প্রতিটি মানব অবয়বের উচ্চতা সাড়ে ৫ থেকে ৬ ফুট।

চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সোহরাব জাহানের সৃষ্টি এই ভাস্কর্যটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিমে অবস্থিত।

'জয় বাংলা' ভাস্কর্যের দৃশ্যমান রূপ দেখে আনন্দিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এরই প্রতিফলন ঘটিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের সর্বত্র এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এই ভাস্কর্য।

নবনির্মিত ভাস্কর্য নিয়ে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ রিজুয়ান জানালেন, জয় বাংলা' ভাস্কর্যটি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাহস ও শক্তি যোগাবে। ক্যাম্পাসে এতো দিন একটা জিনিসের অভাব ছিলো। এখন সেটি পূর্ণতা পেলো। প্রতিদিনই চোখে পড়বে আর প্রতিবারই আমাদেরকে অনুপ্রেরণা যোগাবে ভাস্কর্যটি। স্বাধীনতা যুদ্ধের এই স্মৃতি বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাবে প্রত্যেক চবিয়ান।"

রাজনীতি বিজ্ঞানের নুসরাত জাহান অনুভুতি প্রকাশ করেন, " প্রতিষ্ঠার ৫২ বছর পর জয় বাংলা ভাস্কর্যটি পেয়ে অনেক আন্দদিত। ভাস্কর্যটি থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারবে যুদ্ধ জয়ের ইতিহাস সম্পর্কে। নারী,পুরুষ ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর অবদানের কথা। আশা করি ভাস্কর্যটি আমাদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সঠিক ও সাহসী নির্দেশনা প্রদান করবে।"

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মূল উপজীব্য রেখে ভাস্কর্যটিতে ফুটে ওঠে অতীতের গৌরব। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬ এর স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৯ এর গণ অভ্যুথান, ৭১ এর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চের ভয়াবহ সেই কাল রাত্রি, ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা, ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়। এ যেন ধাপে ধাপে মুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়াকে নির্দেশ করে স্বগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা চবি'র 'জয় বাংলা' ভাস্কর্য।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর