শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৯ ১৪২৬   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

৩৪

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আজ

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০১৯  

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতি বছরের মতো এবারো ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে তারা বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ব্যবহারে জনগণকে সাশ্রয়ী ও সচেতন করে তুলতে এ দিবস পালনের উদ্যোগ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। দেশের কৃষি, শিল্প, সেবাখাতসহ দৈনন্দিন জীবনে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সম্পদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে । এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার প্রদান করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ তেল কোম্পানি শেল অয়েল এর নিকট থেকে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। সেই থেকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী জ্বালানির উৎপাদক হিসেবে এ গ্যাসক্ষেত্রগুলো অদ্যাবধি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অনবদ্য ভূমিকা রেখে চলছে।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, প্রতিবছরের মতো দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে এ বছরও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী চিন্তার কারণে আজ আমরা জ্বালানি খাতে একটি বড় জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। তিনি আরো বলেন, আমরা দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য যেমন কাজ করছি। তেমনি জ্বালানি আমদানি করেও চাহিদা পূরণ করছি।

নসরুল হামিদ বলেন, সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার করে যাচ্ছে।

নীলফামারি বার্তা
নীলফামারি বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর