ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ১ হাজার ৮৮৮ জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৮৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে ৩ হাজার ৭৭৫ জনের শরীরে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জন। আজ বুধবার রংপুর মেডিকেল কলেজে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয় । নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৮০ শতাংশ। নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন পেয়ে যাব তার নিশ্চয়তা নেই- ফাউচি
  • বৃহস্পতিবার   ০২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ১৮ ১৪২৭

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রংপুরের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা বিএনপিতে ভাইপন্থীদের নিয়ে বিব্রত হাইকমান্ড শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০ কোটি টাকা খাবারের বিলের খবর ভিত্তিহীন- ঢামেক পরিচালক দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে- র‌্যাব ডিজি
৯৬

ডোমারে বৃদ্ধের ভেঙে পড়া ঘর নির্মাণ করে দিল সেনাবাহিনী            

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২০  

ঝড়োত মোর (আমার) ঘর ভাঙ্গি মাটিত পড়ি যায়। মোরতো স্বামী-সন্তান কাহো (কেউ) নাই। ঘর ঠিক করার জন্যে চেয়ারম্যানের কাছোত (কাছে) অনেক কাঁন্দাকাটি করিছু। সেনাবাহিনীর ছাওয়ালা (ছেলেরা) মোর ঘর নয়া (নতুন) বানায় দিছে। ওমার (ওদের) আল্লাহ ভালো করিবে। কথাগুলো ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি গ্রামের অসহায় বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের

ঘুর্ণিঝড় আমফানের প্রভাব ছিল নীলফামারী জুড়ে। এই প্রভাবে বসত ঘর ভেঙ্গে গিয়েছিল ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি গ্রামের অসহায় বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের। আজ শুক্রবার দুপুরে বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের একটি ঘর নির্মাণ করে দেয় সেনাবাহিনী সদস্যরা।

কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু জানান, ঘুর্ণিঝড়ে বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের ঘর ভেঙে যাওয়ার খবর আমি সেনাবাহিনীকে জানাই সকালে। তারা দুপুরে এসে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি ঘর তৈরী করে দেয়। তিনি জানান, মরিয়ম বেগমের ১০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর হতে একটি ঘরে একা বসবাস করে আসছে। তার কোন ছেলে মেয়ে নাই।

খোলাহাটি সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন তানজিম রহমান জানান, দেশের সকল দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে। করোনা মোকাবেলায় আমরা সামাজিক দুরত্ব, সচেতনতাসহ অসহায় দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও চিকিৎসা দিয়ে আসছি।

তিনি জানান, কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে তা জানতে, জনপ্রতিনিধিদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখছি।

কেতকীবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু আমাকে ফোন করে জানায়, ঘুর্ণিঝড়ে তার এলাকার এক বৃদ্ধার ঘরে ভেঙে গেছে। সকাল থেকে উপজেলার আড়াই শত অসহায় গরিব মানুষের মাঝে আমরা খাদ্য সহায়তা দেই। আর দুপুরে গিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি নতুন ঘর তৈরী করে দেই। তিনি বলেন, যেকোন সংকটে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

নীলফামারী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর