ব্রেকিং:
করোনা মোকাবেলায় বিশ্বকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পর্যটন খাতকে ঘুরে দাঁড় করাতে রিকভারি প্ল্যান নিয়েছে সরকার নদী ভাঙনের খবর পেলেই ছুটে আসি: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সংস্কারের মাধ্যমে ৬৪ জেলায় একটি করে মডেল পুকুর তৈরি করা হবে: মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের পরিচালক আলীমুজ্জামান চৌধুরী উলিপুরে আইপিএল ক্রিকেটে বাজি খেলার অভিযোগে ৯ জুয়াড়ি আটক
  • রোববার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১১ ১৪২৭

  • || ০৯ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
লালমনিরহাটে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে এসেছে জাতিসংঘের সদস্যপদ- প্রধানমন্ত্রী বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন রপ্তানিকারকরা দিনাজপুরে আরো ১৮ জন করোনায় আক্রান্ত রংপুরে মৃদুলের বাড়িটি এখন ‘মাছের বাড়ি’
৪৪১

দুস্থদের জন্য আরও সোয়া ৬ কোটি টাকা ও ১০ হাজার টন চাল বরাদ্দ     

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২০  

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মহীন ও দুস্থদের জন্য তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য আরও ছয় কোটি ৩২ লাখ টাকা ও ৯ হাজার ৮০০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। টাকার মধ্যে মধ্যে চার কোটি ৭২ লাখ টাকা ত্রাণ হিসেবে বিতরণ ও এক কোটি ৬০ লাখ শিশুখাদ্য কিনতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত বেশ কয়েক দফায় ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৫৯ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা (শিশুখাদ্য কেনাসহ) ও এক লাখ ১৪ হাজার ৬৭ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।

গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এই বরাদ্দ দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকরা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে এ বরাদ্দ বিতরণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করবেন বলে বরাদ্দের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশন এবং পৌর এলাকায় বেশি সংখ্যক কর্মজীবী মানুষ বসবাস, তাই জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে শাক-সবজি কিনে বিতরণ করা যেতে পারে। প্রত্যেক ত্রাণ গ্রহণকারীতে কমপক্ষে পাঁচটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করা যেতে পারে বলে বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুখাদ্য ক্রয়ের শর্তাবলীতে বলা হয়, শিশুখাদ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব বিধি-বিধান ও আর্থিক নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিফলন করতে হবে। জিটুজি পদ্ধতিতে কিনে মিল্কভিটার উৎপাদিত গুঁড়োদুধ চলমান কাজে ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এছাড়া শিশুখাদ্য হিসেবে খেজুর, বিস্কুট, ফর্টিফাইড তেল, ব্রাউন চিনি, সুজি, মসুর ডাল, সাগু, ফর্টিফাইড চাল, ওয়াটার পিউরিফায়ার ট্যাবলেট, বাদাম, মানসম্মত রেডিমেড ফুড ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য স্থানীয়ভাবে কিনে বিতরণ করতে হবে। জেলা প্রশাসকরা আরোপিত শর্তাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করে ছাড় করা অর্থে শিশুখাদ্য কিনে বিতরণ করবেন এবং নিরীক্ষার জন্য হিসাব সংরক্ষণ করবেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রথম ধাপে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পরে আর চার দফায় ৫ মে পর্যন্ত সেই ছুটি বাড়ানো হয়। এ সময়ে মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। এতে শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর