ব্রেকিং:
বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াল সরকার। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না
  • শনিবার   ১৬ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ২ ১৪২৭

  • || ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাড়ী পাচ্ছে কিশোরগঞ্জের ১৪০টি পরিবার উলিপুর পৌর নির্বাচন: ‘উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান’ নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণ ত্যাগী নেতাকর্মীদের দলে মূল্যায়ন করতে হবে: ড. হাছান মাহমুদ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নীলফামারীর ডিমলায়

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ ডিসেম্বর ২০২০  

হিমালয়ের পাদদেশে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। দিন দিন কমছে তাপমাত্রা, বাড়ছে শীতের তীব্রতা। তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। খড়খুটো, কাঠ, গাছের ডাল,পাতা যা পাচ্ছে তা দিয়ে শীত নিবরনের চেষ্টা করছে। 
শুক্রবার(২৫ ডিসেম্বর) জেলার ডিমলা আবহাওয়া অফিসের সূত্র মতে, ভোর ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অপরদিকে জেলার সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সকাল ৬টায় ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

ডিমলা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মাহামুদুল ইসলাম জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার(২৪ ডিসেম্বর) বিকাল থেকে থেকে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। ফলে রাতে ও সকালে তীব্র শীত অনুভ‚ত হচ্ছে। যা এবারের শীতের সকল তাপমাত্রার তুলনায় সর্বনিম্ন।

এদিকে শুক্রবার ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো জেলা। ঠান্ডা বাতাস থাকার কারণে সকাল গড়িয়ে দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও তাপামাত্রা ছিল কম। ঠান্ডায় কাজে যেতে পারছেন না নিম্নআয়ের মানুষেরা। সকাল ৯টা পর্যন্ত এখানে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে যানবাহনগুলো। বেলা ১১টায় রোদ্র উঠলেও হালকা বাতাস ছিল। 

এদিকে ডিমলা উপজেলার চরাঞ্চলের শীতার্ত মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। তিস্তাবেষ্টিত এসব এলাকার মানুষ চাহিদা অনুযায়ী শীতবস্ত্র পায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তুলনামূলকভাবে ডিমলায় শীতের প্রকোপ বেশি থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা।

ডিমলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান বলেন, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ইতোমধ্যে সরকারিভাবে চার হাজার ছয়শ কম্বল ও এক হাজার পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানি গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম (৬০) বলেন, গত বছর পাতলা একটি কম্বল দিয়েছিল চেয়ারম্যান। এবার আশায় আছি কেউ যদি একটি ভালো কম্বল দিতো। তাহলে এবারের শীত কোনোরকমে কাটাতে পারতাম। আবুল কাশেমের মত তিস্তাপাড়ের অনেকেই শীতে বিপাকে পড়েছেন।
জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত কম্বর বিতরণ শুরু হয়েছে।