ব্রেকিং:
মেডিকেল কলেজে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ রাজাকারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬   ১৫ সফর ১৪৪১

সর্বশেষ:
সরকারি সফরে আজ কাতার যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ার বিষয়টিকে পুঁজি করে দামে কারসাজি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আমিনুর বাহিনীর প্রধান আমিনুরসহ চারজন নিহত হয়েছে ইউক্রেনের বিপক্ষে রোনালদোর পর্তুগালের হার কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ের ‘ই’ গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে আজ ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।
২৪৪

নির্বাচনের রাজনীতি ! 

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০১৮  

বিশ দলীয় জোট, ঐক্যফ্রন্ট। ২০ দলীয় জোটে আছে স্বাধীনতার প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামে। মুসলিম লীগ স্বাধীনতার বিরুদ্ধে থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই দলের প্রাধান্য নেই। যা আছে নামসর্বস্ব দলে। অতি সম্প্রতি ২০ দলের আদলে গণফোরাম, কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে। সভা-সমাবেশ করছে। গরম গরম বক্তব্য দিচ্ছে। হুমকি-ধমকি দিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে। ক্ষমতা গ্রহণের দিবাস্বপ্ন দেখছে। অথচ তাঁরা একবারও ভেবে দেখেছেন কী! কাদেরকে নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে; স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি নাকি বিরোধী শক্তি! 

কাদের সিদ্দিকী! শৌর্য-বীর্যে, বিপ্লবে-বিদ্রোহে ছিলেন এক অকুতোভয় মুক্তিসেনা। নেতৃত্ব দিয়েছেন কাদেরিয়া বাহিনীর। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য পেয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব 'বীর উত্তম'। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বিদ্রোহ করেছিলেন মোস্তাক-জিয়া সরকারের বিরুদ্ধে। এর জন্য ভারতে নির্বাসিত জীবনও কাঁটাতে হয়েছে তাঁকে। যেই কাদের সিদ্দিকীর অতীত ইতিহাস এত উজ্জ্বল সেই কাদের সিদ্দিকী কিনা পরোক্ষভাবে জামায়াতে ইসলামী'র জোটসঙ্গী! 

অতচ এই কাদের সিদ্দিকী হতে পারতেন তরুণ প্রজন্মের কাছে বিদ্রোহের প্রতীক; সেই তিনিই কিনা আজ নিন্দিত!  হায়রে নির্বাচনের রাজনীতি! ক্ষমতা দখলের রাজনীতি! 

ড. কামাল হোসেন। বিশ্বনন্দিত একজন আইনজীবী! বঙ্গবন্ধু তাঁকে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি করেছিলেন। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একান্ত আস্থাভাজন। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু তাঁকে করেছিলেন আইনমন্ত্রী, ১৯৭৩-৭৫ ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী! বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া একটি আসনের উপনির্বাচনে তিনি জামানাত হারিয়েছিলেন। সবই হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর বদান্যতায়। অথচ সেই কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর কন্যার বিরুদ্ধাচরণ করতে নেমেছেন আজ মাঠে। স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। হায় রে নির্বাচনের রাজনীতি! 

তরুণ প্রজন্ম তথা স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির সকলকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কী উন্নয়নের রাজনীতি চায়; নাকি অপরাজনীতি! তারা স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তি চায় নাকি বিপক্ষ শক্তি! তারা সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায় নাকি জঙ্গিবাদের বাংলাদেশ চায়!

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –