ব্রেকিং:
গুরু আজম খানের জন্মদিন আজ এবার কবিতা আবৃত্তি করে ভাইরাল শাকিব-অপু পুত্র জয় সুনামগঞ্জে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ধর্ষককে আটক করলো পুলিশ সন্তানের হাতে স্মার্টফোন নয়, বই তুলে দেয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
ভারতে মুসলিম গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদে ফিরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন জার্মানী বিশ্বে ইলিশ আহরণকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে আদিতমারীতে ব্যবসায়ীদের জরিমানা মশা নির্মূলে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
৩৩২

নির্বাচনের রাজনীতি ! 

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০১৮  

বিশ দলীয় জোট, ঐক্যফ্রন্ট। ২০ দলীয় জোটে আছে স্বাধীনতার প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামে। মুসলিম লীগ স্বাধীনতার বিরুদ্ধে থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই দলের প্রাধান্য নেই। যা আছে নামসর্বস্ব দলে। অতি সম্প্রতি ২০ দলের আদলে গণফোরাম, কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে। সভা-সমাবেশ করছে। গরম গরম বক্তব্য দিচ্ছে। হুমকি-ধমকি দিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে। ক্ষমতা গ্রহণের দিবাস্বপ্ন দেখছে। অথচ তাঁরা একবারও ভেবে দেখেছেন কী! কাদেরকে নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে; স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি নাকি বিরোধী শক্তি! 

কাদের সিদ্দিকী! শৌর্য-বীর্যে, বিপ্লবে-বিদ্রোহে ছিলেন এক অকুতোভয় মুক্তিসেনা। নেতৃত্ব দিয়েছেন কাদেরিয়া বাহিনীর। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য পেয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব 'বীর উত্তম'। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বিদ্রোহ করেছিলেন মোস্তাক-জিয়া সরকারের বিরুদ্ধে। এর জন্য ভারতে নির্বাসিত জীবনও কাঁটাতে হয়েছে তাঁকে। যেই কাদের সিদ্দিকীর অতীত ইতিহাস এত উজ্জ্বল সেই কাদের সিদ্দিকী কিনা পরোক্ষভাবে জামায়াতে ইসলামী'র জোটসঙ্গী! 

অতচ এই কাদের সিদ্দিকী হতে পারতেন তরুণ প্রজন্মের কাছে বিদ্রোহের প্রতীক; সেই তিনিই কিনা আজ নিন্দিত!  হায়রে নির্বাচনের রাজনীতি! ক্ষমতা দখলের রাজনীতি! 

ড. কামাল হোসেন। বিশ্বনন্দিত একজন আইনজীবী! বঙ্গবন্ধু তাঁকে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি করেছিলেন। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একান্ত আস্থাভাজন। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু তাঁকে করেছিলেন আইনমন্ত্রী, ১৯৭৩-৭৫ ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী! বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া একটি আসনের উপনির্বাচনে তিনি জামানাত হারিয়েছিলেন। সবই হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর বদান্যতায়। অথচ সেই কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর কন্যার বিরুদ্ধাচরণ করতে নেমেছেন আজ মাঠে। স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। হায় রে নির্বাচনের রাজনীতি! 

তরুণ প্রজন্ম তথা স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির সকলকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কী উন্নয়নের রাজনীতি চায়; নাকি অপরাজনীতি! তারা স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তি চায় নাকি বিপক্ষ শক্তি! তারা সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায় নাকি জঙ্গিবাদের বাংলাদেশ চায়!