ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩৩৯ জনে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৯ ১৪২৭

  • || ০৬ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
আমরা শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের অপেক্ষায়- প্রধানমন্ত্রী সব মাধ্যমিক স্কুলে হবে ডিজিটাল একাডেমি- প্রধানমন্ত্রী করোনাকালে রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়ছে ইউরোপে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে ২২ লাখের বেশি মানুষ আবাসন শিল্পে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে পদ্মা সেতু
১৪৫

নীলফামারীতে কুখ্যাত চোর পিচ্চিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২০  

নীলফামারী শহরের কুখ্যাত চোর শরিফুল ইসলাম ওরফে পিচ্চি (৩০) ও তার সহযোগী  মো. সহিদকে (২২) গ্রেফতার করেছে নীলফামারী সদর থানা পুলিশ। পিচ্চি ও সহিদের বিরুদ্ধে নীলফামারী সদর থানায় ৪টি গ্রেফতারী পরোয়ানা এবং আদালতে আটটি চুরির মামলা চলমান রয়েছে।

পুলিশ রবিবার(৩০ আগষ্ট/২০২০) ভোর রাতে জেলা সদরের টেক্সটাইল মোড় থেকে বাবড়িঝার সড়কের পাশ্ববর্তি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। রবিবার দুপুরে আদালতে ১৬৪ ধারায় তারা দুইজনে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়। পরে বিকেলে আদালতের মাধমে জেলা কারাগারে দুইজনকে প্রেরণ করা হয়। 

পুলিশ জানায়, শরিফুল ইসলাম পিচ্চি শহরের কুখাপাড়া স্টাফ কোয়াটার এলাকার আজিজার রহমানের ছেলে। এবং মো. সহিদ একই এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে। পিচ্চি নীলফামারী জেলাসহ পার্শ্ববর্তি বিভিন্ন জেলায় দীর্ঘদিন যাবত প্রাইভেট কার, মটরসাইকেল চুরিসহ দোকান, বাড়ি চুরির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। সে এক জেলায় চুরি করে অন্য জেলায় গিয়ে আত্মগোপন করতো। 
এ অবস্থায় নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমানের দিক নির্দেশনায় সদর থানার ওসি কে,এম আজমিরুজ্জামান কুখ্যাত চোর পিচ্চি ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারে পুলিশের একটি দল গঠন করে দেন। ওই দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবীকে। পুলিশের ওই দল রবিবার ভোর রাতে পিচ্চি ও সহিদকে গ্রেফতার করলেও অন্যান্য সহযোগীরা পলাতক আছে। 

নীলফামারী সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবী বলেন, গ্রেফতার হওয়াদের কাছ থেকে চোরাই তিনটি ল্যাপটপ, একটি এলইডি টেলিভিশন, একটি সেচ পাম্প, একটি টেবিল ফ্যানসহ বিভিন্ন চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব মালামাল আসামীরা পলাতক অন্যান্য আসামীসহ বিভিন্ন বাসা বাড়ি ও দোকান থেকে চুরি করার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় নীলফামারী সদর থানার উপ পরিদর্শক এরশাদ আলী বাদী হয়ে নীলফামারী সদর থানায় একটি মামলা করেছেন।

নীলফামারী সদর থানার ওসি কে,এম আজমিরুজ্জামান বলেন, কুখ্যাত চোর পিচ্চি ও তার সহযোগীদের উপদ্রবে নীলফামারী শহরবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। আমরা শাঁড়াশি অভিযানে এক সহযোগীসহ তাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হই। গ্রেফতার পর ওই দুই চোরকে রবিবার বিকেলে জেষ্ঠ জুটিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-১ এর সোপর্দ্দ করা হলে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়। অন্যদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যহত আছে। 

নীলফামারী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর