ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৫৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। দিনাজপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ৯ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩২৮ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৭ ১৪২৭

  • || ০৫ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুরের বহুল আলোচিত দুই বোন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর রোগমুক্তি কামনায় বীরগঞ্জে দোয়া মাহফিল নীলফামারীতে কাঁটাতার কেটে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি জুড়ছে রেল লাইন কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড র‌্যাবের অভিযানে নীলফামারীতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
১৩৩

নীলফামারীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ‘ভাদর কাটানি’ উৎসব শুরু 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২০  

উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত ভাদর কাটানি উৎসব শুরু হয়েছে।
পহেলা ভাদ্র থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে নববধূরা গরুর গাড়িতে করে শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি ‘নাইওর’ যাত্রা শুরু করেছেন। 

ভাদর কাটানি উৎসব যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে নীলফামারীর মানুষ। নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ ভারতের মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি এলাকার বাঙালি সমাজেও এই প্রথা চালু রয়েছে বলে জানা যায়। আধুনিকতার যুগেও গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিরা এখনও এই উৎসবকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকেন।

প্রথা অনুযায়ী ভাদ্র মাসের প্রথম দিন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত স্বামীর মঙ্গল কামনায় নববধূরা স্বামীর মুখ দর্শন করেন না।  

৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ বলেন, বিয়ের এক বছরের মাথায় ভাদ্র মাসের শুরুতেই মায়ের নির্দেশে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। এটা চিরাচরিত নিয়ম বলে বলার কিছুই ছিল না। প্রায় ১৫-২০ দিন পর সে বাড়ি আসে। গ্রামীণ ঐতিহ্য হিসেবে ভাদ্র মাসে মামির হাতে ভাত খেতে হয়। ভাদ্র মাসে নানা ধরনের অসুখ বিসুখ লেগে থাকে তাই বড়দের মতে মামির হাতে ভাত খেলে বাকী ১১ মাস ভাল থাকা যায়।

নিয়ম অনুযায়ী মেয়ে পক্ষ শ্রাবণ মাসের সাতদিন বাকি থাকতেই মেয়েকে বাবার বাড়ি নিয়ে আসতে ছেলের বাড়িতে আম, কাঁঠাল, কলা ও তালসহ মিষ্টি  নিয়ে যায়। সেই অনুষ্ঠানে ছেলে পক্ষ তাদের সাধ্যমতো আপ্যায়নও করেন।

এই প্রথাটি দীর্ঘদিন ধরে সমাজে চলে আসছে। 

নীলফামারী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর