ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ একেএম নুরুন্নবী লাইজু।
  • শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭

  • || ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
শোক দিবস উপলক্ষে চারটি বিশেষ ডিজাইনের ই-পোস্টার প্রকাশিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাতে আ`লীগের বিশেষ ওয়েবিনার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হলেন বিক্রম দোরাইস্বামী দায়িত্ব পালনে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পেলে ছাড় দেয়া হবে না: এসপি বিপ্লব এখনো কোনো পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
৪৬৩

নীলফামারীতে দিঘিতে ডুবে নিখোঁজের চার দিন পর লাশ উদ্ধার

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ৮ এপ্রিল ২০১৯  

নীলফামারীর নীলসাগর দিঘিতে ডুবে নিখোঁজের চার দিন পর সুমন চন্দ্র রায়ের (১৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে ওই দিঘির পূর্ব দিকে তার লাশ ভেসে উঠে।

গত বুধবার সকালে জেলা সদরের গোরগ্রাম ইউনিয়নে অবস্থিত নীলসাগর দিঘিতে নিখোঁজ হয় সুমন চন্দ্র রায়। ওই দিন বেলা ১১টা থেকে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লাশ পাওয়া না যাওয়ায় জেলা প্রশাসন জেলেদের নিয়ে আসে। আজ সকালে ওই জেলেরা জাল ফেলার প্রস্তুতিকালে সকাল সাড়ে আটটার দিকে সুমনের লাশ ভেসে উঠে।

নিখোঁজ সুমন জেলা সদরের খোকসাবাড়ি ইউনিয়নের মুসরত গোড়গ্রামের সুকুমার চন্দ্র রায়ের ছেলে। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সুমন আরও তিন বন্ধুর সঙ্গে গত বুধবার সকালে নীলসাগর দিঘিতে পুণ্যস্নান উপলক্ষে গভীর পানিতে নেমে নিখোঁজ হয়। তিন বন্ধু বিপুল চন্দ্র রায়, অনুকূল চন্দ্র রায় ও উত্তম কুমার রায় ফিরে এলেও গভীর জলে ডুবে নিখোঁজ হয় সুমন। 

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুমনের লাশ উদ্ধার করে তার স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।