ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ১ হাজার ৯৯৭ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৮৮ জন। মহামারি করোনাভইরাসের চিকিৎসায় শর্তসাপেক্ষে রেমডেসিভির ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। শুক্রবার এই অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) হেলথ কমিশনার স্টেলা কাইরিয়াকাইডস।
  • শনিবার   ০৪ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২০ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনায় আমাদের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে আছে- শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামে ধরলার পানি বাড়ছে: বাঁধে ভাঙন তিন মাস পর ফিরলেন মোশাররফ করিম মৃত্যুর পর মানুষের ৯ আকাঙ্খা ও আফসোস যে কারণে ভারতকে সতর্ক করলো চীন
২৩৩

নীলফামারীতে সাবেক মন্ত্রী খয়রাত হোসেনের নামে সড়ক উম্মোচন 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২০  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সহচর, ভাষা সৈনিক এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত খয়রাত হোসেনের নামে নীলফামারীর জেলা পরিষদ সংলগ্ন নতুনবাজার যাওয়ার পাকা সড়কের নাম ফলক উম্মোচন করা হয়েছে। আজ  সোমবার(২৯ জুন/২০২০০ বিকালে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী এর আন্ষ্ঠুানিক উদ্ধোধন করেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উক্ত সড়কের নামকরন করা খয়রাত হোসেন। 


এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ (সদর সার্কেল) রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, সদর ইউএনও এলিনা আক্তার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুল হক প্রমুখ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত খয়রাত হোসেনের ছেলে হাসনাত বিন খয়রাত ও নাতী নাতনী যথাক্রমে ইমরান বিন হাসনাত, নাইয়াব বিনতে হাসনাত ও ডাঃ রাইয়ান বিন হাসনাত। 


উল্লেখ যে, খয়রাত হোসেন ১৯০৯ সালে ১৪ নবেম্বর নীলফামারীর বেড়াকুঠি গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা হাজী হেদায়েত উল্লাহ। ১৯৪৪ সালে তিনি নীলফামারী অঞ্চলের এমএলএ নির্বাচিত হন। ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা গঠন করা হলে তিনি খাদ্য, কৃষি ও পশুপালন মন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি আওয়ামী মুসলিমলীগের প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি ছিলেন ও আওয়ামী লীগের হয়ে একাধারে নৌকা প্রতিক নিয়ে তিনবার এমপিও নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে তিনি তার রাজনীতি জীবনে ৫২ ভাষা আন্দোলন ও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন ছিলেন। এরপর জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ মার্চ তিনি নীলফামারী শহরের বাসভবনে মৃত্যু বরন করেন।

নীলফামারী বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর