সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯   পৌষ ১ ১৪২৬   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

৫৩

নীলফামারীর বিআরটিএ কার্যালয়ে বেড়েছে মানুষের ভিড়

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৯  

নতুন সড়ক পরিবহন আইনের প্রভাবে নীলফামারী বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে উপচেপড়া ভিড় পড়েছে। মানুষজন এসেছেন ড্রাইভিং লাইসেন্স ও  মোটরবাইকসহ অন্যান্য যানবাহনের রেজিট্রেশন অথবা বিভিন্ন কাগজপত্র নবায়ন করতে। 

বিআরটিএ সূত্র জানায়, চলতি মাসের প্রথম থেকে প্রতিদিন শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়ছে ১৫০টির উপরে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্সের সংখ্যা বেশী। পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনের রেজিট্রেশনসহ অন্যান্য কাজের জন্য লোকজন আসছেন। এতে করে ভিড় জমছে কার্যালয়ের সামনে, যা আগের তুলনারয় দ্বিগুণ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল দুপুর ও বিকালে ওই কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে অনেক মানুষের আনাগোনা। এমন ভিড় প্রতিদিন ঘটছে। দেখা যায় সারিবদ্ধভাবে কার্যালয়ের সামনে দাঁড় করানো রয়েছে শতাধিক মোটরসাইকেল। এসব মোটরসাইকেলে অনেকেই এসেছেন দূরদূরান্ত থেকে। কেউ এসেছেন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য। আবার অনেকে এসেছেন মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্রের কাজ সারতে। ওই কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থিত এসব কাজের অনলাইনের সেবায় বিভিন্ন ফি জমা দেওয়ার দোকানেও  উপচেপড়া ভিড়।

কার্যালয়ের সামনে কথা হয় জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলার বাজেডুমুরিয়া গ্রামের শিক্ষক হাফিজার রহমানের(৩৩) সঙ্গে। তিনি ওই কার্যালয়ে এসেছেন মোরসাইকেল চালানোর শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সে করার জন্য। তিনি বলেন, নতুন আইনে অধিক কঠোরতা থাকায় ড্রাইভিং লাইসেন্সে করতে এসেছি। আমার মত অনেকেই এসেছেন। ফলে অনেক মানুষের ভিড় জমেছে। 

একই কাজে এসেছেন ওই উপজেলার বাজেডুমুরিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আনার হোসেন(৩৫), জেলা শহরের নতুনবাজার এলাকার মাসুম হোসেন(২৯), ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ি ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামের করিমুল হকসহ(৩৪) অনেকে। তারা বলেন, আইন মানার প্রবনতা আমাদের সকলের আছে। কিন্তু আগে আইনের প্রয়োগ না থাকায় মোটরযান চালানায় এসবের প্রয়োজন বোধ করেননি অনেকে। এখন কঠোর আইন পাশ হওয়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য সকলে আসছেন বিআরটিএ কার্যালয়ে। 

এবিষয়ে নীলফামারী বিআরটিএ পরিদর্শক নূরুল ইসলাম বলেন, নতুন আইনের কারণে ভিড় বেড়েছে। এজন্য কাজের চাপও বেড়েছে। প্রতিদিন ১৫০টির উপরে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়ছে। চুড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে মাসে চারটি বোর্ড করে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। তবে যে হারে চাপ বাড়ছে ওই চারটি বোর্ডে কুলানো সম্ভব হচ্ছে না। অফিসটিতে আমিসহ জনবল মাত্র তিনজন। এত কম জনবলে চাপ সমাল দেওয়া যাচ্ছে না। 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর