ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বেধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতে বিতর্কিত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বাতিল করার জন্য করা ১৪৪টি মামলার শুনানি চলছে দেশটির সুপ্রিমকোর্টে।

বুধবার   ২২ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৯ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৪৯৫

পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলবে উদ্বোধনের দিন থেকেই: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০২০  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন থেকেই সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। তিন ভাগের দুই-ভাগেরও বেশি কাজ শেষ হয়েছে। প্রায় অর্ধেকাংশ এখন দৃশ্যমান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বর্তমান সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রমত্তা পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মিত হবে আর সেই সেতু দিয়ে গাড়ি বা ট্রেনে সরাসরি পারাপার করতে পারবে, এটা ছিল মানুষের স্বপ্নেরও অতীত। আমরা সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চলেছি। তিনি আরো বলেন, দশ বছর আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশের মধ্যে বিরাট ব্যবধান। মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটেছে। ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এ দেশের মানুষ ভালো-কিছুর স্বপ্ন দেখা ভুলেই গিয়েছিল। মানুষ আজ স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন দেখে উন্নত জীবনের। স্বপ্ন দেখে সুন্দরভাবে বাঁচার। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন রেলপথ নির্মাণ, নতুন কোচও ইঞ্জিন সংযুক্তি, ই-টিকেটিং এবং নতুন নতুন ট্রেন চালুর ফলে রেলপথ যোগাযোগে নব দিগন্তের সূচনা হয়েছে। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৪০১ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। ১২২টি নতুন ট্রেন চালু করা হয়েছে। দেশের সব জেলাকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনা হচ্ছে। 

তিনি বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসনে মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। পাতালরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-চন্দ্রা মহাসড়ক চার-লেনে উন্নীত করার পর চন্দ্রা-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশন, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম স্টেশন-রংপুর এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ চলছে।

তিনি বলেন, কেউ যাতে গৃহহীন না থাকে সেজন্য আমরা একাধিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভূমিহীন ও নদী ভাঙনে উদ্বাস্তুদের জন্য ঘর নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। এ জন্য বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর