ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ কমাতে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৬ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
চলমান `কঠোর লকডাউন` আরো এক সপ্তাহ বাড়ল পুলিশের উদ্যোগে ৫ টাকায় ইফতার যাত্রা শুরু ১১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালের সারাদেশে চার কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি ৯০৪৬ জনের জামিন আজ ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র!

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২১  

ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন যে, ২০১৫ সালে ইরান ও বিশ্ব শক্তিগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়া পরমাণু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও ফিরিয়ে আনা হবে। গত জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও তিনি প্রকাশ্যেই চুক্তিতে ফিরে আসার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে এক্ষেত্রে শর্ত দিয়ে বলেছেন, ইরানকে আগে চুক্তির নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। অন্যদিকে, তেহরানও পাল্টা শর্ত আরোপ করে বলে দিয়েছে, ওয়াশিংটনকেই আগে পদক্ষেপ নিতে হবে।

গত আড়াই মাস ধরেই দেশ দুটির মধ্যে এভাবে পাল্টাপাল্টি শর্ত দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ কেউই নিচ্ছে না। এবার সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় যাওয়ার কথা রয়েছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিদের। সেখানে উভয়পক্ষের মাঝে পরোক্ষভাবে এ ব্যাপারে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) ইউরোপীয়ান কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ওইদিন একই শহরে অবস্থান করলেও তাদের এক রুমে সাক্ষাৎ হবে না। তবে উভয়ের উপস্থিতিতে পারমাণবিক চুক্তিতে ফিরে আসার ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বলছে, আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় অংশগ্রহণকারীরা তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও পরমাণু চুক্তিকে পুনরায় সচল করার ব্যাপারে আলোচনা করবেন।

শুক্রবার চুক্তিতে থাকা বাকি দেশগুলো ইরান, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ব্রিটেন এক বৈঠকে মিলিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, ভিয়েনায় তেহরানের সঙ্গে কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। তবে ওয়াশিংটন পদক্ষেপ নিলে ইরানও শর্তগুলো বিবেচনা করবে।

এর আগে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু চুক্তি থেকে বের করে নিয়ে আসেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই ইরানের ওপর অর্থনীতি, অস্ত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। তবে বাইডেন প্রশাসনের অধীনে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।