• রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৫ ১৪২৬

  • || ০৪ শা'বান ১৪৪১

৭৬

পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ রাষ্ট্রপতির

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২০  


পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন  রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেছেন, আমার লজ্জা হয় যখন শুনি, পরীক্ষার হলে শিক্ষক-অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নকল সরবরাহ করেন। এ ধরনের ঘটনা বাস্তবিকই দুর্ভাগ্যজনক, কলঙ্কজনক ও হতাশাজনক। এই অভিশাপ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে বিশেষ করে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

শনিবার রাজধানীর ধূপখোলা মাঠে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে ভাষণ দেয়ার সময় এ আহ্বান জানান তিনি। সমাবর্তনে ১৮ হাজার ২৮৪ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সনদ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া আরো ১১ জন এমফিল এবং ৬ জন পিএইচডি সনদ লাভ করেন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বিশিষ্ট পদার্থবিদ অধ্যাপক ইমেরিটাস ড. অরুন কুমার বসাক বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, জবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন এমপি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিব এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পরীক্ষায় এ ধরনের অসাধু উপায় অবলম্বনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং আমি কি বলতে চাচ্ছি, শিক্ষার্থীদের তা উপলব্ধি করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, আমি আমার জীবনে পরীক্ষায় কয়েকবার ফেল করেছি। কিন্তু কখনো পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বন করিনি। এমনকি পরীক্ষার হলে প্রশ্নের উত্তর কি হবে, এ বিষয়ে কখনো কারো কাছে জানতে চাইনি। এ জন্য আমি নিজে গর্ববোধ করি।

রাষ্ট্রপতি পেশার মযার্দা বিবেচনায় রেখে যেকোনো ধরনের অনৈতিক চর্চা পরিহার করে তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সততা, নিষ্ঠা ও পারদর্শিতা প্রমাণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাকে ভাবতে হবে, আপনি যদি কোন অনিয়মের প্রশ্রয় দেন অথবা কোনো দুর্নীতিতে জড়ান, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি কি হবে।

শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর