ব্রেকিং:
বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াল সরকার। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না
  • শনিবার   ১৬ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ২ ১৪২৭

  • || ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাড়ী পাচ্ছে কিশোরগঞ্জের ১৪০টি পরিবার উলিপুর পৌর নির্বাচন: ‘উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান’ নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণ ত্যাগী নেতাকর্মীদের দলে মূল্যায়ন করতে হবে: ড. হাছান মাহমুদ

প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নত নামাজের প্রতিদান

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০২১  

সুন্নত ওই আদেশমূলক বিধানকে বলা হয়, যা ফরজ-ওয়াজিবের মতো অপরিহার্য নয়, তবে তা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিয়মিত আমল থেকে প্রমাণিত।

সুন্নত দুই প্রকার : সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও সুন্নতে জায়েদা।

সুন্নতে মুয়াক্কাদা ওই সব কাজ, যেগুলো রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত এমনভাবে আমল করতেন যে তা ওজরবিহীন কখনো ছাড়তেন না। যথা—পুরুষদের জামাতে নামাজ পড়া, জামাতের জন্য আজান দেওয়া ইত্যাদি। এ ধরনের সুন্নতের বিধান হলো, এসব সুন্নত ওজরবিহীন নিয়মিত ছেড়ে দেওয়া গুনাহ, তবে হঠাৎ বিশেষ প্রয়োজনে ছাড়তে পারবে। ওজরবিহীন এমন সুন্নত ত্যাগকারীকে তিরস্কার করা হবে, তবে তাকে ফাসিক বা কাফির বলা যাবে না। (আত-তাআরিফাতুল ফিক্বহিয়্যাহ : ৩২৮, আল-মুজিজ ফি উসুলিল ফিকহ : ৪৩৯-৪০)। সুন্নতে মুয়াক্কাদা ওয়াজিবের মতোই। অর্থাৎ ওয়াজিবের ব্যাপারে যেমন জবাবদিহি করতে হবে, তেমনি সুন্নতে মুয়াক্কাদার ক্ষেত্রে জবাবদিহি করতে হবে। তবে ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুনিশ্চিত শাস্তি পেতে হবে, আর সুন্নতে মুয়াক্কাদা ছেড়ে দিলে কখনো মাফ পেয়েও যেতে পারে। তবে শাস্তিও পেতে পারে।

ফরজ নামাজের আগে-পরের সুন্নতে মুয়াক্কাদার অত্যধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

সুন্নতে জায়েদা ওই সুন্নত, যার ওপর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত আমল করলেও ওজরবিহীন মাঝে মাঝে ছেড়ে দিতেন। এমন সুন্নতকে মুস্তাহাব, নফল ও মানদুবও বলা হয়। এমন সুন্নতের বিধান হলো, তার ওপর আমল করা প্রশংসনীয় ও সওয়াবের কাজ, তবে বিনা প্রয়োজনে ওজরবিহীন ত্যাগকারীকে তিরস্কার করা যাবে না। যথা—তাহাজ্জুদসহ অন্য নফল নামাজ, নফল রোজা, সদকা, হজ, পরোপকার ও জনসেবামূলক কাজ করা ইত্যাদি। তবে এ ধরনের আমলগুলোর মধ্যে কোনো কোনো আমল অন্য আমলের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। কোনো কোনো ওলামায়ে কেরামের মতে, মুস্তাহাব-নফলের চেয়ে সুন্নতে জায়েদা তুলনামূলক গুরুত্বপূর্ণ। (কাশফুল আসরার : ২/৩০২)। ফরজ নামাজের আগে-পরে সুন্নত নামাজগুলো আদায় করার গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসে সেগুলোকে জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম বলা হয়েছে। উম্মে হাবিবা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি দিনে-রাতে ১২ রাকাত নামাজ পড়ে তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি বানানো হয়। জোহরের আগে চার রাকাত। পরে দুই রাকাত। মাগরিবের পরে দুই রাকাত। এশার পরে দুই রাকাত। ফজরের আগে দুই রাকাত।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৬৩৬২)