শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
আবরার হত্যা: বুয়েটের ২৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার হাবিপ্রবি`র সান্ধ্যকালীন এমবিএ`র ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত এনএসআই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, আটক ১৮ বিএনপি রাজনীতির পথ হারিয়ে গুজবের রাজনীতি করছে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ লালমনিরহাটে বাস চলাচল স্বাভাবিক, ছেড়েছে সব রুটের বাস দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে কৃষকের মুখের হাসি ফুটবেঃ কৃষিমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছেন বান কি মুন ২য় টেস্ট ম্যাচ দেখতে একদিনের সরকারি সফরে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী রংপুর অঞ্চলে প্রতি হেক্টরে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে ১২ টন ‘অর্থোডক্স ও ইসলাম- শান্তির ধর্ম’ শিরোনামের এক সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইসলামের ভিত্তি হলো মানবিক মূল্যবোধ।
৪০৫

ফুড পয়জনিং এর কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

একমাত্র খাবার থেকে সংক্রমণ হলে তাকে ফুড পয়জনিং বলে। তার মানে এই নয় যে, যেকোনো খাবার খেলেই ফুড পয়জনিং হবে।

 

1.ফুড পয়জনিং এর কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

পেট খারাপ হলেই ভেবে নেবেন না ফুড পয়জনিং হয়েছে

ব্যাকটেরিয়া বা টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে ফুড পয়জনিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফুড পয়জনিং হলে বারবার বমি হয়। কোনো খাবার পেটে থাকে না। ডায়রিয়া, বারবার বাথরুমে যেতে হয়। ডিহাইড্রেশন দেখা যায়। ক্লান্ত লাগে, কোনো কাজে উৎসাহ পাওয়া যায় না। অনেক সময় জ্বর হয়। টেম্পারেচার যথেষ্ট বেশি থাকে।

কিছু খাবার যা থেকে ফুড পয়জনিং হতে পারে। দুধ ও অন্যান্য মিল্ক প্রডাক্ট। দুধ ভালো করে না ফুটালে তার মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়। মাংস-কাঁচা মাংস তুলনামূলকভাবে রান্না মাংসের থেকে বেশি নিরাপদ। যদি কাঁচা মাংস ভালো করে প্যাক করে ফ্রিজে রেখে দেন, তাহলে ১৫ দিন পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। রান্না মাংস দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা যায় না, নষ্ট হয়ে যায়।

ফল-সবজি, কাটা ফল অনেকক্ষণ খোলা পড়ে থাকলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়া ফল, শাকসবজির ওপর পোকামাকড় মারার বিষ স্প্রে করা হয়, যা শুধু পানি দিয়ে ধুলে সম্পূর্ণভাবে যায় না এবং শরীরের ক্ষতি করে।

ক্যানড, ফ্রোজেন বা বেকড খাবার ঠিকমতো না রাখলে বা বেক না করলে তা সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। কিছু সতর্কতা আমরা এক্ষেত্রে নিতে পারি, খাবার যেন কোনোভাবেই দূষিত না হয়, তার দিকে খেয়াল রাখা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা খুবই জরুরি। ভালো করে হাত না ধুয়ে খাওয়া একেবারেই অনুচিত।

 

2.ফুড পয়জনিং এর কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিশেষ করে খেয়াল রাখতে হবে। খোলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখুন। রান্না করার সময় বাসন ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার স্টোর করার সময়ও সচেতন থাকতে হবে। পানি থেকে সংক্রমণ হওয়া খুব স্বাভাবিক। ভালো করে বিশুদ্ধ না করে সে পানি পান করবেন না। নিয়মিত বাড়ির পাইপলাইন চেক করান, ট্যাঙ্ক পরিষ্কার রাখুন।

ফুড পয়জনিং হলে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে বাচ্চাকে খাবার খাওয়ান। বমি, বাথরুম হওয়ার ফলে ডিহাইড্রেশন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। সেক্ষেত্রে স্যালাইন খাওয়ানো জরুরি।

 

3.ফুড পয়জনিং এর কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে সঠিক চিকিৎসা নিন।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –