ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ কমাতে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৬ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
চলমান `কঠোর লকডাউন` আরো এক সপ্তাহ বাড়ল পুলিশের উদ্যোগে ৫ টাকায় ইফতার যাত্রা শুরু ১১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালের সারাদেশে চার কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি ৯০৪৬ জনের জামিন আজ ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২১  

চোরাকারবারীর হাতে ভারতীয় বিএসএফ সদস্য আহত হওয়ার অভিযোগের প্রক্ষিতে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাতাড়ি সীমান্তে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩০ এর ৯ এস থেকে ৫০ গজ ভারতের অভ্যান্তরে বালাটারি এলাকায় এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবি ১৫ ব্যাটলিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজিবি জানায়, এক ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে বিজিবি’র ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলে নের্তৃত্ব দেন লালমনিরহাট বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম তৌহিদুল আলম এবং বিএসএফের পক্ষে নের্তৃত্ব দেন ৩৮ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট শ্রী ইন্দ্রেশ কুমার যাদভ।

বৈঠকে বিএসএফ প্রতিনিধি দল বিজিবিকে জানায়, গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে বালাতাড়ি সীমান্তে আন্তজাতিক পিলার ৯৩০/১০-এস এর নিকট ভারতীয় নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পের কর্তব্যরত একজন বিএসএফ সদস্য বাংলাদেশি ৮ থেকে ৯ জন চোরাকারবারীর ঢিলের আঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনার উভয় দেশের চোরাকারবারীরা জড়িত থাকতে পারে বলেও জানায় বিএসএফ। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধকল্পে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল তৎপরতা বৃদ্ধিসহ সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হন।

বৈঠক শেষে বিএসএফ কর্তৃক উদ্ধারকৃত ০১টি মোবাইল সেট, ২টি বাংলাদেশি সিমকার্ড এবং সন্দেহভাজন বাংলাদেশি চোরাকারবারীদের নাম বিজিবি’র নিকট হস্তান্তর করে বিএসএফ প্রতিনিধি দল।

বিজিবি আরও জানায়, উভয় বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় সৃষ্ট যেকোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা একে অপরের সার্বিক সহযোগিতা ও যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করে উভয় বাহিনীর মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।