• বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো ৯ জুন পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ এক হাজারের অধিক পুলিশ সদস্য ব্রাজিলে হু হু করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দুর্যোগে জনগণের পাশে থাকাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য: কাদের আম্ফানে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ক্ষয়ক্ষতি পৌনে দুই কোটি টাকা
৯০

ফের বাড়ছে তিস্তার পানি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

উজানের পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তিস্তার পানি ফের বাড়ছে। ফলে আশ্বিন মাসেও খরস্রোতা রূপে প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি করছে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল।

বুধবার রাতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যবর্তী পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩৫/৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলে অর্ধমৃত হয়ে পড়ে। ১৬ সেপ্টেম্বর রাত থেকে হঠাৎ বাড়তে থাকে তিস্তার পানি। যা ক্রমেই বেড়ে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি করে। ৩০/৩৫ ঘণ্টার মধ্যে পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে। মুক্তি পায় জেলার পানিবন্দী প্রায় সাত-আট হাজার পরিবার। সেই ধকল কাটতে না কাটতে আবারো বুধবার সকাল থেকে বাড়তে থাকে পানি। যা ক্রমেই বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানায়, বন্যার পানিতে ডুবে আছে শত শত হেক্টর আমন ধানের ক্ষেত। এতে বন্যার আশঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

আদিতমারী উপজেলার গোবর্দ্ধন পাসাইটারী তিস্তা চরাঞ্চলের কৃষক মানিক মিয়া বলেন, নদীর কিনারে জেগে ওঠা ২৭ শতাংশ জমিতে আগাম জাতের আমন ধান রোপণ করেছি। সেই আমন ক্ষেতে কিছু অংশ নদী ভাঙনে বিলীন হলেও বাকি অংশ প্রথম বন্যায় ডুবে থাকার পর সবেমাত্র দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তা পুনরায় ডুবে গেছে। যাতে পচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সদর উপজেলার রাজপুর ইউপির চর চিনাতুলি গ্রামের রহিম মিয়া ও শমসের আলী বলেন, গত বন্যার পানি সরে যাওয়ার কয়েক দিন পরেই বাড়ছে তিস্তার পানি। এতে তিস্তারপাড়ের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে। ডুবছে রাস্তাঘাট, বাড়িসহ ফসলি জমি।

দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বুধবার সকাল থেকে বাড়তে থাকে। রাত নয়টায় বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আপাতত সবগুলো জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের এ অঞ্চলে বৃষ্টির কারণে পানি ক্রমেই বাড়ছে। তবে বড় ধরনের বন্যার কোনো সতর্কবাণী নেই।

জনদূর্ভোগ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর