ব্রেকিং:
সৌদি আরবের মদিনায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩৫ জন। কাশ্মীরে ভারত পাকিস্তান সেনাদের গুলি বিনিময়ে ৪ বেসামরিক নাগরিক নিহত। রুশ পারমানবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ কূটনীতিককে আটক করেছে রুশ গোয়েন্দা সংস্থা। ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প নিহত ৩ আহত অন্তত ১৪ জন। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে বৈঠক করতে যাচ্ছেন, তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তুরস্কের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কোন সমস্যা নেই। কুর্দিরা ফেরেশতা নয়, বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ২ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

সর্বশেষ:
হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে মোবাইল টাওয়ার দ্রুত সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ। রাজধানীর গাবতলী থেকে নব্য জেএমবির তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। সড়ক দুর্ঘটনায় রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। চাপাইনবাবগঞ্জে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই জনকে আটক করেছে র‍্যাব। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বাস থেকে ৮ রোহিঙ্গা আটক। কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২। পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাতক্ষীরায় ২৪ জন আটক। কক্সবাজারে ২০০০ পিস ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। নড়াইলের লোহাগড়ায় শিশু ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি লঞ্চঘাটে বাসের হেলপারের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩। আইন অমান্য করে ইলিশ ধরায়, পটুয়াখালীতে ৩০, রাজবাড়ীতে ১৫ ও চাঁদপুরে ৯ জেলে আটক। বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। নাটোরে পুলিশ ও আইনজীবীর হয়রানির শিকার বাবলুকে ১৮ বছর পর মামলা থেকে অব্যাহতিঃ ক্ষতিপূরণের নির্দেশ হাইকোর্টের। নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট ফেরি চলাচল বন্ধ। ঢাকা জেলার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে অব্যহতিঃ আইন মন্ত্রণালয়। চট্টগ্রামে ১৪৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মিশম্যাক শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড এর মালিক মিজানুর রহমান ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক নন্দদুলাল এর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা। প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সৌজন্য সাক্ষাৎ।
৮৯

বন্যায় খাবার সংকট মোকাবিলায় যেসব খাবার সংরক্ষণ জরুরি

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০১৯  

বন্যার সময় নানা রকম সমস্যার মধ্যে অন্যতম হলো খাবারের সমস্যা। ঘর-বাড়ি, বাজার-ঘাটে পানি ঢুকে পড়ায় এসময় তীব্র খাবার সংকট দিতে পারে। এজন্য প্রয়োজন কিছু আগাম প্রস্তুতি। প্রয়োজনীয় কিছু খাবার আগে থেকেই সংরক্ষণ করতে পারলে এই সংকট থেকে পরিত্রাণের সুযোগ থাকে। 

বন্যার সময় সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিতে পারে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির। এসময় পানিবাহিত নানা রোগও দেখা দিতে পারে। তাই আগে থেকে এই দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত।

বন্যা চলাকালীন ও তার পরবর্তী সময়ে বিভিন্নরকম সংকট দেখা দিতে পারে। খাদ্য সংকট তার মধ্যে অন্যতম। আমরা সচেতন হলেই এই সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো সংরক্ষণ করবেন-

চাল: বন্যা শুরু হয়ে গেলে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে চলাফেরা করা অনেক সময় কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই আগে থেকেই চাল সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। যেন দুর্যোগের দিনগুলোতে চালে সংকট না দেখা দেয়।

ডাল: শুধু চাল রাখলেই তো আর হবে না, সঙ্গে খাওয়ার মতোও কিছু রাখা চাই। আর কিছু না থাকলে দুটি চাল-ডাল ফুটিয়ে যেন ক্ষুধা নিবারণ করা যায়। তাই চালের পাশাপাশি ডালও সংরক্ষণ করুন।

আলু: সম্ভব হলে শুকনো স্থানে আলু সংরক্ষণ করুন। এটি দুর্যোগের দিনগুলোতে ক্ষুধা নিবারণে আপনাকে সাহায্য করবে।

মুড়ি: শুকনো খাবারের মধ্যে মুড়ি সহজলভ্য তাই এটি সহজেই সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে পারবেন। তাই বন্যা দেখা দিলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মুড়ি সংরক্ষণ করুন।

চিড়া: মুড়ির মতো চিড়াও বেশ সহজলভ্য এবং এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখতে সক্ষম। তাই বন্যার আগেই শুকনো খাবার হিসেবে চিড়া সংরক্ষণ করুন।

খই: মুড়ি-চিড়ার পাশাপাশি সংরক্ষণ করতে পারেন খই। একটি বাষ্পরুদ্ধ জারে বা মুখ আটকানো পলিথিনে খই সংরক্ষণ করুন।

নারিকেল: নারিকেল শুকনো বলে এটি সংরক্ষণ করা সহজ। আবার ক্ষুধা নিবারণে সহায়ক ও পুষ্টিও জোগায়। তাই দুর্যোগের দিনগুলোর জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন নারিকেল।

খেজুর: শুকনো ফলের মধ্যে খেজুর সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি সহজে নষ্ট হবে না এবং আপনাকে দ্রুত শক্তি দেবে।

বিস্কুট: বিভিন্নরকম বিস্কুট সংরক্ষণ করতে পারেন। তবে বিস্কটু কেনার আগে দেখে নিন তার মেয়াদ আছে কি না এবং মানসম্মত কি না। নয়তো মানহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট খেলে পেটে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গুড়: শুধু মুড়ি বা চিড়া খেতে ভালো নাও লাগতে পারে। তাই সংরক্ষণ করতে পারেন গুড়। গুড়ের শরবত খেলেও তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি সতেজ থাকা যাবে। গুড়ের পাশাপাশি চিনিও রাখতে পারেন।

বাদাম: আরেকটি শুকনো ফল বাদাম রাখতে পারেন। যেসব বাদাম সহজলভ্য সেগুলোই সংরক্ষণ করুন। বিপদে কাজে লাগবে।

বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা: শুকনো খাবারের পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি ব্যবস্থা রাখাও জরুরি। কারণ বন্যার সময় সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দেয় বিশুদ্ধ পানির। তাই ফিল্টার, ফিটকিরি ইত্যাদি পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র ও উপাদান নাগালে রাখুন।

স্যালাইন: বন্যার সময় পাতলা পায়খানা কিংবা ডায়েরিয়া হওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কারণ বন্যার পানির মাধ্যমে জীবণুরা খুব সহজেই আপনার কাছে পৌঁছে যায়। তাই পর্যাপ্ত স্যালাইন সংরক্ষণ করুন।

ওষুধ: প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার সরঞ্জাম ও প্যারাসিটামল ধরনের ওষুধ সংরক্ষণ করতে পারেন। কারণ এসময় এগুলো দরকার হতে পারে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –