শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

২৪৫

বাঁশের সাঁকোই ভরসা

ডেস্ক রিপোর্ট :

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর ২০১৮  

মেহেরপুর সদরের কুতুবপুর ইউপির হিতিমপাড়ায় পাকা সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

মেহেরপুর সদর ও গাংনীর নয়টি গ্রামের হাজারো মানুষ এ সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা বারবার একটি পাকা সেতুর প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, ৪০ বছর আগে মাটি দিয়ে মৃতপ্রায় ভৈরবের দুপাশে সড়ক নির্মাণ করে তার ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি সরকার ভৈরব নদের পানির নব্যতা ফিরিয়ে আনতে খনন করে। সে কারণে আগের মাটির রাস্তাটি কেটে সরিয়ে ফেলা হয়।

প্রতিদিন এ পথে মেহেরপুর সদরের ভিটির মাঠ, বালির মাঠ, শোলমারী, শুভরাজপুরসহ দুই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা এনামুল হক বলেন, গাড়াবাড়ীয়া ও হিতিমপাড়া সংযোগ সেতুর দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। তবে বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনে জেতার জন্য এলাকার জনপ্রতিনিধিরা এখানে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন। ভোটে পাস করার পর এলাকাবাসীর কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতির কথা মনে থাকে না নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির।

বাঁশের সাঁকোতে যান চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় অসুস্থ মানুষকে জেলা শহরের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

ভিটিরমাঠ এলাকার শিক্ষার্থী শাজাহান আলী ও জহুরা তাসনিম বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হওয়ার ভয়ে প্রায় তিন কিলোমিটর বেশি সড়ক পার হয়ে কলেজে যেতে হয়।

গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা বলেন, সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরে (এলজিইডি) আবেদন করা হয়েছে। দ্রুতই এর একটা ফল পাওয়া যাবে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –