ব্রেকিং:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন মারা গেছেন। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯০৮ জন
  • শনিবার   ২৮ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
১৫ লাখ কৃষককে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজ দেবে সরকার দিনাজপুরে ঘন কুয়াশায় জেঁকে বসেছে শীত করোনার ভ্যাকসিন মানুষ সহজেই পাবে- সেতুমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে জনগণ- মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে রোডম্যাপ সরকারের

বিএনপির অধঃপতনের নেপথ্যে খলনায়ক তারেক রহমান

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার পর খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান রাজনীতিতে আসেন। তাকে দলের দায়িত্ব দিয়ে খালেদা জিয়া চরম ভুল করেছিলেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা, এমনকি দলের সদস্যরাও মনে করেন। ধরে নেয়া হয় যে, বর্তমান পর্যন্ত বিএনপির অধঃপতনের নেপথ্যের খলনায়ক হলেন তারেক রহমান।

অনেকের মতে, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন ও অপরাজনৈতিক কৌশলের কারণে বিএনপি রাজনীতিতে বারবার হোঁচট খাচ্ছে এবং এটা হচ্ছে লন্ডনে বসে তারেক রহমান কর্তৃক দলকে সঠিক নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং তার  দুর্নীতি, দুঃশাসন ও সীমাহীন লুটপাটের কারণে, যা আজও ভুলতে পারেনি দেশবাসী।

ক্ষমতায় এসেই দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সন্ত্রাসের সমার্থক হয়ে দাঁড়ান তারেক রহমান। বাংলাদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির প্রচলন, বিরোধী দল দমনে বোমা-সন্ত্রাসের ব্যবহার- এ সবই দেখিয়েছেন তারেক। সে সময় ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিরোধী দল ও ভিন্ন মতের মানুষদের নৃশংসভাবে হত্যা করার রাজনীতির জন্ম দেন তারেক রহমান। 

তারেকের সম্পদ লিপ্সার সঙ্গে মিলে যায় তার চাওয়া পাওয়া। আর ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কাজ কিভাবে হাসিল করে নিতে হয় সেটিও খুব ভালোভাবে জানতেন তিনি। ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হ্যারি কে টমাসের সঙ্গে আলাপে বলেছিলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত তারেক রহমানকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে খালেদা জিয়া তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন।

তারেক ও তার সহযোগীদের দুর্নীতি সে সময় এতোটাই মাত্রা ছাড়ায় যে, ২০১১ সালে উইকিলিকসের ফাঁস করা মার্কিন গোপন নথিপত্রে বিষয়টি উঠে এসেছিল।

উইকিলিকসের ফাঁস করা নথিপত্রে জানা যায়- যুক্তরাষ্ট্রের আরেক রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ারটি ২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর ওয়াশিংটনে পাঠানো এক বার্তায় উল্লেখ করেন যে, বিএনপি সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত ও উগ্র এমন এক সরকার যে তারা নিজ দেশের জনগণের সম্পদও লুণ্ঠন করে।  আর এসবের প্রতিনিধিত্ব করেন তারেক। 

বার্তায় আরো বলা হয়, তারেক রহমান সরকারি তহবিল থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চুরি করে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ মধ্যমপন্থী (মডারেট) এই দেশটিতে স্থিতিশীল সরকার ব্যবস্থা বজায় রাখার প্রচেষ্টা নষ্ট করে দিচ্ছেন।

বিএনপির রাজনৈতিক দুর্দশার দায়ভার তাই তারেকের উপরই বর্তায়। রাজনীতিতে বিএনপির নাকানিচুবানি খাওয়ার জন্য তারেক রহমানের অপকর্মই দায়ী বলে নির্দ্বিধায় স্বীকার করেন খোদ দলটি ছেড়ে যাওয়া একাধিক নেতা। বিএনপির উত্তরণের জন্য তারেক রহমানের প্রশ্নবিদ্ধ নেতৃত্বকেও দায়ী করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।