ব্রেকিং:
নবম শ্রেণি থেকেই বিষয় ভিত্তিক বিভাজন না করার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত সরকার আগামী বছর থেকেই বাংলাদেশ থেকে ট্রেনে চড়ে যাওয়া যাবে ভারতের পর্যটনখ্যাত রাজ্য দার্জিলিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের চিঠি

বৃহস্পতিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৩ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে ওমরাহ যাত্রী ও মসজিদে নববী ভ্রমণকারীদের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত পদকে এগিয়ে বেগম রোকেয়ার মেয়েরা তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের আশঙ্কা, ইজতেমা বন্ধ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপঃ টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ পার্বতীপুরে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি! শপথ গ্রহণ করলেন ঢাকার নবনির্বাচিত মেয়র তাপস-আতিকুল
৮৭

বিএনপির সমাবেশে হট্টগোলে খেই হারিয়ে ফেললেন মির্জা ফখরুল

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

‘চুপ, চুপ আপনারা থামেন। আপনাদের হট্টগোলে আমি বক্তব্যের খেই হারিয়ে ফেলেছি। থামেন।’ রবিবার রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের থামাতে এভাবেই বলতে শোনা যায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। কিন্তু তিনি বারবার বলেও নেতাদের থামাতে ব্যর্থ হন।

সমাবেশে উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম মঞ্চে উঠার সঙ্গে সঙ্গেই হট্টগোল শুরু করেন সমাবেশে আসা স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ফখরুলের বক্তব্য না শুনে নেতারা হট্টগোল শুরু করেন এবং নানা রকম স্লোগান দেন। ফখরুল একাধিকবার তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেন কিন্তু তিনি থামাতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে ফখরুল উত্তেজিত হয়ে নেতাকর্মীদের হট্টগোলে বক্তব্যের খেই হারিয়ে ফেলেছেন বলতেও শোনা যায়। তারপরও নেতাকর্মীরা থামেননি। এমনকি এসময় বেশ কয়েকজন হাতাহাতি ও মারামারিতে লিপ্ত হন। মঞ্চের সামনে থাকা মহিলা দলের নেতারা সামনে বসার চেয়ারে না বসে দাড়িয়ে দাড়িয়ে গল্প করতে দেখা গেছে। এতে পেছনে বসে থাকা নেতারা মঞ্চ দেখতে পাননি।

এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেওয়ার সময়ও স্থানীয় নেতাদের এমন আচরণের জন্য দলীয় কোন্দলকে দায়ী করছেন দলের সিনিয়র নেতারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সিনিয়র এক বিএনপি নেতা বলেন, এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির মধ্যে নানা কোন্দল রয়েছে। মহানগর বিএনপির সভাপতির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর চরম বিরোধ রয়েছে। আবার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের সঙ্গে আহ্বায়ক জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফার রয়েছে চরম বিরোধ। ফলে এক পক্ষের লোকজন অপরপক্ষকে সহ্য করতে পারছিলেন না। সে জন্য এমন হট্টগোল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর