ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ কমাতে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৬ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
চলমান `কঠোর লকডাউন` আরো এক সপ্তাহ বাড়ল পুলিশের উদ্যোগে ৫ টাকায় ইফতার যাত্রা শুরু ১১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালের সারাদেশে চার কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি ৯০৪৬ জনের জামিন আজ ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

বিএনপি ঘরে বসে শব্দবোমা ফাটায়: পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

আন্দোলনের নামে বিএনপি ঘরে বসে শব্দবোমা ফাটায় বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম।

তিনি বলেছেন, আমার ৩০/৪০ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় বিএনপির মতো এত ব্যর্থ রাজনৈতিক দল দেখিনি। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দেড় বছরে ঘরে ছিল। এ সময়ে ১২ মিনিটের জন্য আন্দোলন করতে পারেনি বিএনপি। আন্দোলন কাকে বলে আওয়ামী লীগ জানে। আন্দোলনের ইতিহাস আওয়ামী লীগের আছে বিএনপির নেই।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ধানকুনিয়া হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহা পরিচালক কে এম মহিউদ্দিন, সিলেটের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এস এম শহীদুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো সবিবুর রহমান।

উপমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা কর্মীর মতো মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতি সপ্তাহে একাধিক এলাকা মন্ত্রীরা পরিদর্শন করেন।’

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নেতারা যদি অসৎ হন কর্মীরা তাদের কথা শুনে না-বিএনপির অবস্থা এমন হয়েছে। বিএনপি নির্বাচনে এসে এজেন্ট দিতে পারে না। করোনা ভ্যাকসিন নিয়েও বিএনপি রাজনীতি করেছে। কিন্তু দেশের মানুষ তাদের গ্রহণ করেনি। দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কি করা উচিৎ তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন।

হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়ে উপমন্ত্রী বলেন, হাওরের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার উন্নয়নের জন্য মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। আগামী ৭ মার্চের মধ্যে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী হাওরবাসীর মুখে হাসি দেখতে চান। সে জন্য যা করার দরকার সব কিছু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ফসল রক্ষা বাঁধের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করতে হবে। যে যতটুকু কাজ করবে, সে ততটুকু বিল পাবে। সঠিক নিয়মে কাজ করলে কাউকে বিল নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে না।