শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
আবরার হত্যা: বুয়েটের ২৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার হাবিপ্রবি`র সান্ধ্যকালীন এমবিএ`র ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত এনএসআই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, আটক ১৮ বিএনপি রাজনীতির পথ হারিয়ে গুজবের রাজনীতি করছে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ লালমনিরহাটে বাস চলাচল স্বাভাবিক, ছেড়েছে সব রুটের বাস দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে কৃষকের মুখের হাসি ফুটবেঃ কৃষিমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছেন বান কি মুন ২য় টেস্ট ম্যাচ দেখতে একদিনের সরকারি সফরে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী রংপুর অঞ্চলে প্রতি হেক্টরে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে ১২ টন ‘অর্থোডক্স ও ইসলাম- শান্তির ধর্ম’ শিরোনামের এক সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইসলামের ভিত্তি হলো মানবিক মূল্যবোধ।
২৬৩

বিপাকে জমির মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

উখিয়ার কুতুপালং থেকে শফিউল্লাহ কাটা পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় শিবির। শিবিরগুলোতে নতুন-পুরনো মিলিয়ে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার বসবাস। রোহিঙ্গা বসবাস, পাহাড় কাটা, জমিতে বালি পড়া ও আবর্জনার কারণে জমিতে আবাদ হচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে জমির মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা বিপাকে পড়েছেন।

রাজাপালং ইউপির মধুরছড়ার আবুল কাশেম জানান, বর্ষাকালে বন বিভাগের পাহাড়ি খাদ, গিরি, ঝিরি অংশের সমতল জমিতে লোকজন আমন ধানের চাষ করতো। এছাড়া যুগ যুগ ধরে শাক সবজি আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করতো স্থানীয় মানুষ। দুই বছর ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে পড়ে। পালংখালী ইউপির বালুখালী পান বাজারের দক্ষিণে ১০ একর ফসলি জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে।

জমির মালিক নুরুল আলম সওদাগর জানান, জমির তিন দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ক্যাম্পগুলোর ময়লা-আবর্জনা, পাহাড় ও টিলা কাটা মাটি ও বালি ধুয়ে ফসলি জমিতে এসে পড়ে। ফলে জমিতে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না।

দক্ষিণ বালুখালী শিয়াইল্লা পাড়ার ফরিদ আলম জানান, জমিতে চাষা করার পরিবেশ নেই। তারপরও কিছু জমিতে আমন ধান চাষ হতো। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প থেকে বর্জ্য আসায় ধান পচে যায়।

পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, বর্মা পাড়া বা তাজনিমার খোলা ক্যাম্পে তার মালিকানাধীন তিন একর জমিতে দুই বছর ধরে চাষাবাদ করতে পারছে না।

হেলাল উদ্দিন মেম্বার জানান, জামতলী ও শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্পের কয়েক জনের ৩০ একর জমি রয়েছে। যেখানে দুই ফসলি চাষ করে কৃষকরা জীবিকা নির্বাহ করতো। জমিতে রোহিঙ্গার আবাসস্থল, সেবা কেন্দ্র এবং বেশির ভাগ জমিতে বর্জ্যের কারণে চাষ হচ্ছে না।

উখিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কারণে শতাধিক একর আবাদি জমি অনাবাদি পড়ে আছে। দরিদ্র কৃষকরা জমিতে চাষাবাদ ও শাক সবজির ক্ষেত-খামার করতে পারছে না। তারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –