ব্রেকিং:
শহীদদের নামে রংপুরের সড়কগুলোর নামকরণের দাবি উত্তরের ফসলি জমি গিলে খাচ্ছে তামাক আজ ২০ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস’ মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকাকে পাঁচটি সেক্টরে বিভক্ত করে তিন ধাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র‌্যাব নারী বিশ্বকাপ ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ: পাকিস্তানকে ৫ রানে হারালো বাংলাদেশ

শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বার খুলবে সকাল ৮টায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ১১ ও ১২ মার্চ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত নিহত লালমনিরহটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা মাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন ছেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে ২০ ব্যক্তি এবং এক প্রতিষ্ঠানের মাঝে ‘একুশে পদক-২০২০’ প্রদান করেছে
৫৮

বিষ্ময় সৃষ্টি করেছেন নীলফামারীর প্রতিবন্ধী মিম 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ইনজেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে পানির চাপপ্রয়োগ করে ভেকু মেশিন, ড্রোন, কাগজের ফুলসহ অবিকল যন্ত্র তৈরি করে বিষ্ময় সৃষ্টি করেছেন প্রতিবন্ধী মেহেদী হাসান মিম।
মিম নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউপির হাজীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক এরশাদুল ইসলামের ছেলে । 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার সোনারায় ইউপির হাজীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক এরশাদুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে মিম জন্ম থেকেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। 

প্রতিবন্ধী থাকা সত্বেও তাকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। প্রতিবন্ধী মিমের লেখাপড়ায় প্রবল আগ্রহ থাকায় দারিদ্রতার মধ্যেও লেখাপড়া চালিয়ে যেতেন তার বাবা এরশাদুল।

এসএসসি পাশ করে বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হন মিম। দুই বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দেখে হুবহু যন্ত্রপাতি তৈরি করা, কাগজ দিয়ে মনোমুগ্ধকর ফুল, ড্রোন তৈরি করে বিক্রি করে  লেখাপড়ার খরচসহ দরিদ্র বাবাকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। 

সদ্য ইনজেকশনের ৮টি সিরিজ দিয়ে পানির চাপ প্রয়োগ করে ভেকু (স্কোভিটার মেশিন) তৈরি করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। প্রতিবন্ধী মিম তার নিজের তৈরি ভেকু মেশিন সর্ব সাধারণের জন্যে প্রদর্শন করে বেড়াচ্ছেন।

মিমের বাবা এরশাদুর ইসলাম জানান, ছেলের নতুনত্ব আবিষ্কারে আমি মুগ্ধ। সরকারের দেয়া প্রতিবন্ধী ভাতা,তার আবিষ্কৃত জিনিসপত্র বিক্রি করে কোনো মতে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যাচ্ছি। ছেলের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে সমাজের বিত্তবানসহ সরকারের সহযোগীতা কামনা করছি।  

এই বিভাগের আরো খবর