সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯   পৌষ ১ ১৪২৬   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

৫৬

বীরগঞ্জে বিক্রেতাদের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৯  

বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করায় পাইকারি পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হলেও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ আগের মতোই ঊর্ধ্বমুখী। বাণিজ্যমন্ত্রী ১০০ টাকা দাম নির্ধারণ করলেও সাধ্যের মধ্যে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন না দিনাজপুরের বীরগঞ্জের ক্রেতাসাধারণরা। পাইকারি বাজারে সরকারি দর ৬০ টাকা কেজি হলেও খুচরা বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বীরগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। উপজেলা গোলাপগঞ্জ, কবিরাজহাট, ঝাড়বাড়ী ও বীরগঞ্জ পৌরহাট ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি নিয়ে ক্রেতাদের সাথে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হচ্ছে। দৈনিক বাজারে জুলফিকার নামে একজন ভোক্তা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে সরকারিভাবে পেঁয়াজের পাইকারি দর ৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে খুচরা দর ৮৫- ১০০ টাকা হতে পারে। কিন্তু খুচরা দোকানিরা কিভাবে ১৭০ থেকে ১৮০  টাকা কেজি দরে অবাধে বিক্রি করছে। এ বাজার তদারকি নেই বলেই এমনটা হচ্ছে বলে আর একজন ক্রেতা মন্তব্য করেন। খুচরা ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এখনো পাইকারদের নিকট ১০০- ১২০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।

আরও অভিযোগ করে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ আমদানি না হওয়ায় পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। পাইকার এবং খুচরা বিক্রেতার কারসাজিতেই পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। এ ব্যাপার গ্রাম- গঞ্জের হাট- বাজারগুলোতে কঠোর মনিটরিং করা প্রয়োজন বীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর