ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ১ হাজার ৮৮৮ জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৮৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে ৩ হাজার ৭৭৫ জনের শরীরে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জন। আজ বুধবার রংপুর মেডিকেল কলেজে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয় । নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৮০ শতাংশ। নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন পেয়ে যাব তার নিশ্চয়তা নেই- ফাউচি
  • বৃহস্পতিবার   ০২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৭

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রংপুরের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা বিএনপিতে ভাইপন্থীদের নিয়ে বিব্রত হাইকমান্ড শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০ কোটি টাকা খাবারের বিলের খবর ভিত্তিহীন- ঢামেক পরিচালক দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে- র‌্যাব ডিজি
৫৫

বীরগঞ্জে শীত ও ঘন কুয়াশায় জেলেদের দুর্দিন

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত বীরগঞ্জ উপজেলার দাসপাড়ার জনজীবন। এতে বিপাকে পড়েছে মৎস্যজীবী পরিবার।

হুট করে শীত জেঁকে বসায় ঘুন কুয়াশার কারণে পুকুরে যেতে পারছে না অধশতাদিক মৎস্যজীবী। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অসহায় দরিদ্র জেলে পরিবারকে। বিশেষ করে বীরগঞ্জ উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের দাসপাড়ার জেলেপল­ীর শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি চরমে।

পৌষের শুরুতেই বীরগঞ্জ উপজেলায় জেঁকে বসেছে শীত। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে দাসপাড়ার কিছু সংখ্যক মৎস্যজীবী জাল নিয়ে পুকুরে মাছ ধরতে পারছেন না। হঠাৎ করে প্রচন্ড শীত তাঁর সাথে বৈরি আবহাওয়া থাকায় উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে জেলদের। ফলে অনকটাই অলস সময় কাটাতে হচ্ছে মৎস্যজীবী ও আড়তদারদের। দাসপাড়ার রনজিৎ দাস,অনিল দাস,সূর্য দাস, সুভাষ দাস, গোপাল দাস, চন্দন দাস বীরেন দাস,শ্রীমন্ত দাস, সানজু দাস,কালু দাসসহ ৪০ -৫০ হত দরিদ্র অসহায় মৎস্যজীবী জানান, পুকুরে মাছ আছে শীত এবং বৈরি আবহাওয়ার কারণে যেতে পারছি না। আর হঠাৎ আসা পাশেপাশের নদীগুলোতে মাছ নাই,তাই আমাদের জীবন খুবই কষ্টে কাটছে।

জেলে নরেন দাস জানান, বছর এই সময়টা শীতের কারণে খুবই কষ্টে কাটেছে। তা ছাড়া নদী -নালাতে মাছ না পেয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করতে হচ্ছে আমাদের। তাই সরকারের কাছে আকুল আবেদন যাতে কিছু একটা খেয়ে বেঁচে থাকতে পারি সৈই ব্যবস্থা যাতে দ্রুত নেয়া হয়। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে দাসপাড়া অঞ্চলের মৎস্যজীবীরা। এতে ঢেপা নদী পাড়ের জেলেরা মাছ শিকারে বের হতে না পেরে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাচ্ছে। এই এলাকায় কয়েক দিন থেকে সকল থেকে দেখামেনি সূর্যের মুখ ফলে প্রচন্ড ঠান্ডায় নকাল হয়ে পড়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভোগে পড়েছে নদী পাড়ের দাসপাড়ার নিম্ন আয়ের মৎস্যজীবীরা। সকাল থেকে গরম কাপড় গায়ে দিয়ে, কাঁনটুপি, গলায় মাফলার পেঁচিয়ে বের হতে হচ্ছে। অথচ কিছুদিন আগেও তার সাধারণ পোশাকে ঘুরে বেড়াত। কিন্তু এখন তাদের গরম কাপড় কেনার মতো অর্থ নেই। বর্ষা মৌসুমে ঢেপা দিনের ভাঙ্গনে জেলেদের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি পুশেই না উঠতেই প্রচন্ড শীত ঘন কুয়াশায় মাছ ব্যাহত হওয়ায় দাসপাড়ার মৎস্যজীবীদে দুর্দিন চলছে। সরকারি ভাবে কম্বল সহ একন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দ তারা পাইয়নি। ,

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর