ব্রেকিং:
মেডিকেল কলেজে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ রাজাকারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬   ১৫ সফর ১৪৪১

সর্বশেষ:
সরকারি সফরে আজ কাতার যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ার বিষয়টিকে পুঁজি করে দামে কারসাজি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আমিনুর বাহিনীর প্রধান আমিনুরসহ চারজন নিহত হয়েছে ইউক্রেনের বিপক্ষে রোনালদোর পর্তুগালের হার কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ের ‘ই’ গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে আজ ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।
৫০

বেদে, হিজড়া ও প্রতিবন্ধীদের ৩ লাখ টাকার ঘর দিচ্ছে সরকার

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

অর্থনৈতিক নিরাপত্তা না থাকায় বেদে ও হিজড়ারা স্থায়ী বসবাসের জন্য ঘর তৈরি করতে পারে না। এ কারণে তাদের সহায়তায় হাত বাড়িয়েছে বর্তমান সরকার। প্রতিবন্ধী, বেদে ও হিজড়াদের ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ঘর নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

১১ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ে ডিজঅ্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট’ বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স-সংক্রান্ত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এসব কথা জানান।

ডিজঅ্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্সের প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে কেউ গৃহহীন থাকবে না, গ্রাম হবে শহর। দেশের সব গৃহহীনকে দুর্যোগ সহায়ক গৃহ দেয়ার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তারই অংশ বেদে, হিজড়া ও প্রতিবন্ধীদের ঘর নির্মাণ করে দেওয়া।

এর মধ্যে ১১ হাজার ৬০৪টি ঘর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ বছর আবার ২৩ হাজার ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এ সবকিছু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় করা হচ্ছে। এ ছাড়া বেদে, হিজড়া ও প্রতিবন্ধীদের কিছু রিজার্ভ ঘর দেয়ার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেখানে সরকার তাদের ঘর তৈরি করে দেবে। আগে একটি ঘর তৈরি করতে খরচ হতো ২ লাখ ৫৮ হাজার। এখন নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের এ সহায়তার ফলে প্রত্যেকে নিজ নিজ পেশার প্রতি মনোযোগ দিতে পারবে। মৌলিক চাহিদা অন্যতম উপাদান হলো বাসস্থান। জীবন ধারনের ব্যয় মিটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বেদে সম্প্রদায়কে। গৃহ নির্মাণ তাদের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। তাই নদী-নালার আশপাশে বা নৌকায় বসবাস করে তারা।

নাগরিক সুবিধার অংশ হিসেবে এ জনগোষ্ঠীকে সরকারের এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সাথে অর্থনৈতিক কারণে বেদেদের মতো পিছিয়ে পড়ছে হিজড়া সম্প্রদায়ের মানুষেরাও। উন্নয়নের পথ না থাকায় গৃহহীন হয়ে আছে তারা। একই সাথে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা না থাকায় হিজড়ারা উশৃঙ্খল হয়ে উঠে। বসবাসের ঘর থাকলে হিজড়া অস্তির হবে না বলে মনে করেন সমাজ সংস্কার করা।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর