ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ৩ হাজার ৪৭১ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯৯৬ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৬৩ হাজার ৫০৩ জন।
  • মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৭ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
শোক দিবসে দেশের সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া ‘আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে শিশুদের পাঠদান করতে হবে’ লেবাননে পৌঁছেছে বাংলাদেশ সরকারের মানবিক সহায়তা ‘স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার’ প্রণব মুখার্জির দ্রুত আরোগ্য কামনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
২৬৯

বেশি আম খেলে কী ক্ষতি হয়?

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০১৯  

আমকে বলা হয় ফলের রাজা। মিষ্টি গন্ধ ও স্বাদেই এর নিজস্বতার পরিচয়। গরমে বাইরে থেকে ফিরে এক টুকরো পাকা আম খেলে তা শরীরে প্রশান্তি আনে। কিন্তু খেতে মিষ্টি বলে বা প্রশান্তির জন্য হলেও আম বেশি খাওয়া উচিত নয়। বেশি আম খেলে উপকারের থেকে অপকারই বেশি হতে পারে!

পাকা আমে থাকে ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘বি’, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন ‘এ’ বা বিটা ক্যারোটিন, উচ্চমাত্রার চিনি, কার্বোহাইড্রেট, গ্লাইসেমিক ইত্যাদি। পাকা আমে ফিনোলিকসজাতীয় উপাদান থাকায় তা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভালো উৎস। তবে পাকা আমে চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ায়।

ডায়াবেটিক রোগীদের পাকা আম এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দ্রুত বাড়িয়ে শরীরের ক্ষতি করতে পারে পাকা আম।

পাকা আম বেশি খেলে ওজন বেড়ে যায়। বেড়ে যায় রক্তে শর্করার পরিমাণও। আমে থাকা কিছু উপাদান যেমন- ফিটোকেমিক্যাল কম্পাউন্ড তথা গ্যালিক এসিড, ম্যাঙ্গফেরিন, কোয়ার্নেটিন এবং টেনিন বা কষজাতীয় উপাদানগুলো বেশ ক্ষতিকর।

যারা অ্যাজমায় ভুগছেন, তারা প্রয়োজনে কম মাত্রায় আম খান। বিশেষ করে কিডনির সমস্যা রয়েছে যাদের, তাদেরও বেশি আম খাওয়া উচিত নয়।

তাই বলে কি আম খাওয়া বন্ধ রাখবেন? একদম তা করতে যাবেন না যেন! আম খাবেন, তবে পরিমাণে কম। কারণ সুস্থ থাকলে প্রতিদিনই আম খেতে পারবেন। আর অসুস্থ হলে আম থেকে দূরে থাকতে হবে।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর