ব্রেকিং:
স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে রংপুর জেলায় প্রায় ছয় হাজার মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মসজিদে মসজিদে এসব ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মহিউদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ঈদের সকালে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ১০ মিনিটের ঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে অর্ধশত ঘরবাড়ি। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। পবিত্র ঈদুল ফিতর আজ
  • মঙ্গলবার   ২৬ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪২৭

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
আজ মুসলিমদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। লালমনিরহাটে ঈদের সকালে ১০ মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি রংপুরে ছয় হাজার মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত ঘরে বসে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কবি কাজী নজরুলের জন্মজয়ন্তী আজ
৩৪

ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচায় যেসব প্রাকৃতিক উপাদান

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১ মে ২০২০  

পৃথিবীতে পাঁচ হাজারেরও বেশি ভাইরাস রয়েছে। যা সাধারণ সর্দি, ফ্লু, হেপাটাইটিস, মনোনোক্লিয়োসিস এবং এইচআইভির মতো মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে। ভাইরাস একটি ছোট সংক্রামক। যা কেবল একটি জীবন্ত কোষের ভিতরে বংশবিস্তার করে। মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ এবং অণুজীবসহ সকল প্রকারের জীবকে সংক্রামিত করতে পারে ভাইরাস। 

তবে ভাইরাল সংক্রমণ বেশিরভাগ মৌসুমী হয়ে থাকে। যা সঠিক চিকিৎসা এবং ওষুধ দিয়ে সারিয়ে তোলা সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। প্রাকৃতিক কিছু উপাদান রয়েছে যা এন্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্যযুক্ত। যা আপনাকে মৌসুমী এসব ভাইরাস থেকে রক্ষা করবে। জেনে নিন সেসব উপাদান সম্পর্কে।

রসুন 

শুরুতেই যে উপাদানটির কথা বলব তা হচ্ছে রসুন। প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকায় সুপারফুড আখ্যা পেয়েছে এটি। গবেষণায় দেখা যায় যে রসুন ইনফ্লুয়েঞ্জা এ এবং বি, এইচআইভি, এইচএসভি -১, ভাইরাল নিউমোনিয়া এবং রাইনোভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। তাই রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিন এক থেকে দুই কোয়া রসুন কাঁচা খেতে পারেন।

পুদিনা

এই সুগন্ধযুক্ত পাতাটির ওষধিগুণ বলে শেষ করা যাবে না। দীর্ঘদিন ধরে ভাইরাল সংক্রমণের চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর পাতা এবং কান্ডে স্যাফফিনোলাইড নামে একটি যৌগ থাকে। যার অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেটি বিভিন্ন সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। এটি খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এর চা তৈরি করে পান করা।

তুলসি

তুলসিতে রয়েছে অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য। যা বেশ কয়েকটি ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, তুলসিতে অ্যাপিগিনিন এবং ইউরোলিক অ্যাসিডের মতো যৌগ রয়েছে। যা হার্পস, হেপাটাইটিস বি এবং এন্টারোভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।

মৌরি বীজ

মৌরি বীজের প্রধান যৌগ হলো ট্রান্স-অ্যানথোল। যা হার্পসের মতো ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে। প্রাকৃতিক এই ছোট বীজগুলো আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এবং দেহে প্রদাহ হ্রাস করতে সহায়তা করবে। রাতে কিছু মৌরি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করুন।

ওরিগানো

এটি শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্যযুক্ত প্রাকৃতিক ওষধি উপাদান। এটি অনেকটা পুদিনা পাতার মতোই উদ্ভিদ। এতে কার্ভাক্রোল নামক যৌগ রয়েছে। যা ভাইরাল ভাইরাসগুলো প্রতিরোধ করতে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। ওরিগানোতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে।

আদা

আদাতে প্রচুর অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা আপনাকে ইনফ্লুয়েঞ্জা, আরএসভি, এবং ক্যালিসিভাইরাস থেকে রক্ষা করবে। এছাড়াও আদা ভাইরাসের বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে। 


সূত্র:টাইমসঅবইন্ডিয়া

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর