ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ কমাতে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৬ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
চলমান `কঠোর লকডাউন` আরো এক সপ্তাহ বাড়ল পুলিশের উদ্যোগে ৫ টাকায় ইফতার যাত্রা শুরু ১১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালের সারাদেশে চার কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি ৯০৪৬ জনের জামিন আজ ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

মার্কিন গণমাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নতির ভূয়সী প্রশংসা

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০২১  

গত এক দশকে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ৮০ ভাগ। একইসময়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় অর্থনীতির দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের রপ্তানি শুধুই কমেছে। বুধবার (৩ মার্চ) এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের।

এতে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ভারতের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম ছিল। এই ঘাটতি পুষিয়ে গতবছর দেশটিকে ধরে ফেলেছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার উঠতি অর্থনৈতিক শক্তি এখন এদেশ। দক্ষিণ কোরিয়া,ভিয়েতনাম ও চীনের মতো রপ্তানিই বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়নের শক্তি।

বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পোশাক রপ্তানি বাড়ার পেছনের অন্যতম কারণ বিপুল পরিমাণ নারী শ্রমিক এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অল্প মজুরি। পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রম ক্ষেত্রে নারীদের এমন উপস্থিতি চোখে পড়ে না।

তবে সুখবরের পাশাপাশি আছে শঙ্কাও। বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়লেও তা ভিয়েতনাম বা কম্বোডিয়াকে ছাড়াতে পারেনি। গত এক দশকে এই দেশগুলোর রপ্তানি যথাক্রমে তিনগুণ ও দ্বিগুণ বেড়েছে। এখানে ভারতের কথা মনে করা যেতে পারে। ২০০০ সালের দিকে ভারতের রপ্তানিও হঠাৎ বহুগুণ বেড়েছিল। তারপর তা এক জায়গায় আটকে যায়। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে রপ্তানির হার সবসময় বাড়বেই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশও ভারতের মতো এমন জায়গায় নেমে যেতে পারে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক বাদে অন্য তেমন কোনো খাত নেই। এ সমস্যা এড়াতে ভিয়েতনামের পথ অনুসরণ করা উচিত বাংলাদেশের। একটি খাত থেকে বেরিয়ে উচ্চ চাহিদার অন্যান্য রপ্তানি খাতেও অংশ নিতে দেশি ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দিতে হবে। এমতাবস্থায় গত সপ্তাহে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে তালিকাভুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি আরও বাড়াবে বলেই আশা করা যায়।